১৮/১১. অধ্যায়ঃ
আশুরা দিবসে রোযা
পরিবারসহ আশুরার রোযা: উমার (রা)-এর উৎসাহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৬৫০
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৬৫০
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ أَرْسَلَ إِلَى الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ أَنَّ غَدًا يَوْمُ عَاشُورَاءَ فَصُمْ وَأْمُرْ أَهْلَكَ أَنْ يَصُومُوا.
মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) হারিস ইবনু হিশাম (রা)-এর নিকট খবর পাঠিয়েছেন, কাল আশুরা দিবস, তুমি নিজেও রোযা রাখ এবং পরিবার-পরিজনকেও রোযা রাখতে বল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬৫০-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর একটি নির্দেশধর্মী খবর এসেছে। তিনি হারিস ইবনু হিশাম (রা)-এর কাছে বার্তা পাঠান যে, কাল আশুরা দিবস। তুমি নিজে রোযা রাখ এবং পরিবার-পরিজনকেও রোযা রাখতে বল। এখানে আশুরার রোযাকে পরিবারে শেখানো ও উৎসাহ দেওয়ার একটি দিক পাওয়া যায়। তবে হাদিসের ভাষায় এটাকে রমযানের মতো ফরয বলা হয়নি; বরং আগের বর্ণনাগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে বুঝলে এটি আশুরার রোযায় উৎসাহের কথা। ঘরের মানুষকে ভালো কাজে ডাকতে হলে আগে নিজে আমল করা, তারপর নরমভাবে পরিবারকে বলা—এই শিক্ষা এখানে সহজভাবে দেখা যায়। আশুরার রোযা, পরিবারকে রোযা রাখতে বলা, এবং মুহররমের নফল রোযা—এসব কীওয়ার্ড এই হাদিসের সঙ্গে মানানসই।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উমার (রা) নিজে রোযা রাখার পাশাপাশি পরিবারকে বলার নির্দেশ দিয়েছেন।
- ভালো আমলে পরিবারকে উৎসাহ দেওয়া একটি সুন্দর শিক্ষা।
- আশুরার রোযার কথা জানানো ও স্মরণ করানো ভালো কাজ।
- এই বর্ণনায় রমযানের মতো ফরয দাবি করা হয়নি।
