১৮/১০. অধ্যায়ঃ
রোযাদারের শিঙ্গা লাগানো
রোযাদারের হিজামা: সা’দ ও ইবনু উমার (রা)-এর আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৬৪৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৬৪৬
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ وَعَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَا يَحْتَجِمَانِ وَهُمَا صَائِمَانِ.
ইবনু শিহাব (র) হতে বর্ণিতঃ
সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস ও আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) দু’জনে শিঙ্গা লাগাতেন অথচ তাঁরা রোযাদার। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬৪৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রা) এবং আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর কথা এসেছে। তাঁরা দুজনই রোযাদার অবস্থায় শিঙ্গা লাগাতেন। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এর বাইরে অতিরিক্ত কথা বলা উচিত নয়। মূল বার্তা হলো, রোযা অবস্থায় শিঙ্গা লাগানোর বিষয়টি সাহাবীদের আমলে আলোচিত ছিল এবং তাঁদের কারও কারও কাছ থেকে এমন কাজ পাওয়া যায়। রোযাদারের হিজামা, রক্তমোক্ষণ বা শরীর থেকে রক্ত বের হওয়া—এসব বিষয়ে মানুষ সাধারণত জানতে চায় রোযা ভাঙে কি না। এই বর্ণনা সরাসরি দুই সাহাবীর আমল দেখায়। তবে ব্যক্তি দুর্বল হয়ে পড়তে পারে কি না, সেটি আলাদা বিবেচনার বিষয়। তাই রোযা অবস্থায় এমন কাজের আগে নিজের শারীরিক অবস্থা বুঝে চলা ভালো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দুই সাহাবী রোযা অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন বলে বর্ণনায় এসেছে।
- হাদিসটি শুধু তাঁদের আমল জানায়, অতিরিক্ত দাবি করে না।
- রোযাদারের হিজামা বিষয়ে সাহাবীদের আমল একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়।
- শরীরের শক্তি ও দুর্বলতা বিবেচনা করা দরকার।
