১৮/১০. অধ্যায়ঃ
রোযাদারের শিঙ্গা লাগানো
রোযাদার অবস্থায় শিঙ্গা লাগানো: সতর্কতা ও ইফতার পর্যন্ত অপেক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৬৪৫
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৬৪৫
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَحْتَجِمُ وَهُوَ صَائِمٌ قَالَ ثُمَّ تَرَكَ ذَلِكَ بَعْدُ فَكَانَ إِذَا صَامَ لَمْ يَحْتَجِمْ حَتَّى يُفْطِرَ.
নাফি’ (র) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) শিঙ্গা লাগাতেন অথচ তিনি রোযাদার । তিনি বলেন, অতঃপর তিনি তা ছেড়ে দেন। তৎপর তিনি যখন রোযা রাখতেন, ইফতার না করা পর্যন্ত শিঙ্গা লাগাতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬৪৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর একটি আমল উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি আগে রোযাদার অবস্থায় শিঙ্গা লাগাতেন। পরে তিনি তা ছেড়ে দেন। এরপর তাঁর অভ্যাস হয়, যখন তিনি রোযা রাখতেন, ইফতার না করা পর্যন্ত শিঙ্গা লাগাতেন না। এখানে সরাসরি কোনো দীর্ঘ ব্যাখ্যা নেই, কিন্তু তাঁর আমলের পরিবর্তন থেকে সতর্কতার দিক বোঝা যায়। রোযাদারের শিঙ্গা লাগানো, রক্ত নেওয়া বা শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা—এসব বিষয়ে মানুষ জানতে চায়। এই বর্ণনায় দেখা যায়, একজন সাহাবী নিজের আমলে এমন পথ নিয়েছেন যাতে রোযা রক্ষায় বেশি সাবধান থাকা যায়। তাই রোযা অবস্থায় শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে এমন কাজ করার আগে নিজের শক্তি ও অবস্থার দিকে নজর দেওয়া দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবনু উমার (রা) আগে রোযা অবস্থায় শিঙ্গা লাগাতেন।
- পরে তিনি ইফতারের আগে শিঙ্গা লাগানো থেকে বিরত থাকতেন।
- রোযা রক্ষায় সতর্ক আচরণের একটি দিক এখানে দেখা যায়।
- শরীর দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা থাকলে সাবধানতা ভালো।
