১৮/৬. অধ্যায়ঃ
রোযাদারের চুমু খাওয়ার ব্যাপারে কঠোরতা
রোযা অবস্থায় চুমু ও ঘনিষ্ঠতা বিষয়ে ইবনু উমার (রা.)-এর সতর্কতা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৬৩৫
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৬৩৫
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَنْهَى عَنِ الْقُبْلَةِ وَالْمُبَاشَرَةِ لِلصَّائِمِ.
বর্ণনাকারী হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) রোযাদারের জন্য চুমু খাওয়া এবং স্ত্রীর সাথে মিলিত হওয়াকে নিষেধ করতেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
[১] মিলিত হওয়ার অর্থ সঙ্গমে যেভাবে মিলিত হয় সেভাবে মিলিত হওয়া, সঙ্গম হোক বা না হোক।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬৩৫-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা.)-এর একটি সতর্ক অবস্থান এসেছে। তিনি রোযাদারের জন্য চুমু খাওয়া এবং স্ত্রীর সাথে মিলিত হওয়াকে নিষেধ করতেন। এই হাদিসের মূল বিষয় হলো রোযায় চুমু ও সতর্কতা। একই অধ্যায়ের অন্য বর্ণনায় অনুমতির দিকও আছে, কিন্তু এই নির্দিষ্ট বর্ণনায় ইবনু উমার (রা.)-এর নিষেধ করার কথা বলা হয়েছে। তাই ব্যাখ্যায় ভারসাম্য রাখা দরকার। রোযার সময় এমন কাজ থেকে দূরে থাকা কারও জন্য নিরাপদ হতে পারে, বিশেষ করে যদি তা তাকে সীমা লঙ্ঘনের দিকে নিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি করে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, রোযায় শুধু বাহ্যিক কাজ নয়, নিজের ইচ্ছা ও সংযমের দিকও গুরুত্ব পায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবনু উমার (রা.) রোযাদারের চুমু ও ঘনিষ্ঠতা নিষেধ করতেন।
- রোযায় নিজের দুর্বলতার জায়গা বুঝে সতর্ক থাকা দরকার।
- সাহাবিদের বর্ণনায় অনুমতি ও সতর্কতা—দুই ধরনের দিক পাওয়া যায়।
- রোযার উদ্দেশ্য রক্ষা করতে সীমার কাছাকাছি কাজ থেকে দূরে থাকা উপকারী হতে পারে।
