১৮/৩. অধ্যায়ঃ
বিলম্ব না করে ইফতার করা
রমযানে মাগরিবের নামাজ ও ইফতারের একটি বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৬২৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৬২৩
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ وَعُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ كَانَا يُصَلِّيَانِ الْمَغْرِبَ حِينَ يَنْظُرَانِ إِلَى اللَّيْلِ الْأَسْوَدِ قَبْلَ أَنْ يُفْطِرَا ثُمَّ يُفْطِرَانِ بَعْدَ الصَّلَاةِ وَذَلِكَ فِي رَمَضَانَ.
হুমায়দ ইবনু আবদুর রহমান (র) হতে বর্ণিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এবং উসমান ইবনু আফফান (রা) দু’জনে মাগরিবের নামায আদায় করতেন, এমন সময় তখন তাঁরা রাত্রির অন্ধকার দেখতে পেতেন। (আর এটা হত) ইফতার করার পূর্বে। অতঃপর তাঁরা (দু’জনে) ইফতার করতেন। আর এটা হতো রমযান মাসে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উমার ইবনু খাত্তাব (রা.) ও উসমান ইবনু আফফান (রা.)-এর একটি আমল বর্ণিত হয়েছে। তাঁরা রমযান মাসে এমন সময় মাগরিবের নামাজ আদায় করতেন, যখন রাতের অন্ধকার দেখা যেত। বর্ণনায় বলা হয়েছে, তাঁরা ইফতার করার আগে নামাজ পড়তেন, তারপর ইফতার করতেন। এখানে মূল বিষয় হলো মাগরিবের নামাজ ও ইফতার। এই বর্ণনা থেকে সরাসরি যা জানা যায়, তা হলো সাহাবিদের আমলে রমযানের সময় নামাজ ও ইফতার—দুটিই গুরুত্ব পেত। তবে এই হাদিসকে অন্য হাদিসের সঙ্গে মিলিয়ে বুঝতে হয়, কারণ ইফতার দ্রুত করার বর্ণনাও আছে। তাই এ বর্ণনা থেকে অতিরিক্ত দাবি না করে শুধু বলা যায়, উমার ও উসমান (রা.)-এর এই নির্দিষ্ট আমল রমযানে ঘটত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমযানে মাগরিবের নামাজকে গুরুত্ব দেওয়া সাহাবিদের আমলে দেখা যায়।
- এই বর্ণনায় উমার ও উসমান (রা.) নামাজের পর ইফতার করেছেন।
- একটি নির্দিষ্ট বর্ণনা থেকে অতিরিক্ত সাধারণ সিদ্ধান্ত টানা উচিত নয়।
- ইবাদতের বিষয়ে সাহাবিদের আমল জানা দ্বীনি বোঝাপড়ায় সহায়ক।
