১৮/১. অধ্যায়ঃ
রোযার চাঁদ দেখা ও রমযানের রোযা খোলার বর্ণনা
মাস উনত্রিশ দিনেরও হয়: চাঁদ দেখা ও দিন গণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৬১৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৬১৭
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ دِينَارٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ فَلَا تَصُومُوا حَتَّى تَرَوْا الْهِلَالَ وَلَا تُفْطِرُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدُرُوا لَهُ.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মাস উনত্রিশ দিনেরও হয়, যদি (আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হওয়ার কারণে) তোমাদের উপর চাঁদ পর্দাবৃত করা হয়, তবে তার জন্য দিন গণনা করো। (বুখারী ১৯০৭, মুসলিম ১০৮০)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬১৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রমযান ও শাওয়ালের চাঁদ দেখা সম্পর্কিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বাক্য এসেছে: মাস উনত্রিশ দিনেরও হয়। এরপর নবীজি বলেন, চাঁদ না দেখা পর্যন্ত রোযা রেখো না এবং চাঁদ না দেখা পর্যন্ত রোযা খুলো না। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হলে দিন গণনা করতে বলা হয়েছে। এই বর্ণনা ۶۱۶ নম্বর হাদিসের সঙ্গে একই মূল শিক্ষার কাছাকাছি। তবে এখানে বিশেষভাবে মাস উনত্রিশ দিনের হতে পারে—এই কথাটি গুরুত্ব পেয়েছে। তাই রমযানের চাঁদ দেখা, মাসের দিন সংখ্যা এবং মেঘলা আকাশে হিসাব—এই তিনটি বিষয় এই হাদিসের প্রধান কিওয়ার্ড। হাদিসটি অনুমানভিত্তিক সিদ্ধান্তের বদলে চাঁদ দেখা বা গণনার ভিত্তিতে রোযার সময় নির্ধারণের শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইসলামী মাস উনত্রিশ দিনেরও হতে পারে বলে উল্লেখ হয়েছে।
- রোযা শুরু ও শেষ করার ক্ষেত্রে চাঁদ দেখার নির্দেশ আছে।
- মেঘলা হলে দিন গণনা করার কথা এসেছে।
