১৭/৬. অধ্যায়ঃ
ইয়াতীমদের সম্পত্তির যাকাত এবং ইহা ব্যবসায়ে খাটান
ইয়াতীমের সম্পদ ও আমানতদার অভিভাবকের দায়িত্ব
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৫৭৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৫৭৪
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيْدٍ أَنَّهُ اشْتَرَى لِبَنِي أَخِيهِ يَتَامَى فِي حَجْرِهِ مَالًا فَبِيعَ ذَلِكَ الْمَالُ بَعْدُ بِمَالٍ كَثِيْرٍ ৮৬৭-قَالَ مَالِك لَا بَأْسَ بِالتِّجَارَةِ فِي أَمْوَالِ الْيَتَامَى لَهُمْ إِذَا كَانَ الْوَلِيُّ مَأْمُونًا فَلَا أَرَى عَلَيْهِ ضَمَانًا.
মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) তাঁর ইয়াতীম ভ্রাতুষ্পুত্রদের নিমিত্ত কিছু ক্রয় করেছিলেন। পরে অতি উচ্চ মূল্যে এটা বিক্রয় করা হয়েছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেন, ইয়াতীমদের ওলী বা তত্ত্বাবধায়ক যদি আস্থাভাজন এবং আমানতদার হন তবে ইয়াতীমদের সম্পত্তি দ্বারা ব্যবসা করায় খারাপ কিছু নাই। ব্যবসায়ে ঘাটতি দেখা দিলে ক্ষতিপূরণের দায়িত্ব তার উপর বর্তাবে না।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৫৭৪-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র)-এর একটি কাজ উল্লেখ হয়েছে। তিনি তাঁর তত্ত্বাবধানে থাকা ইয়াতীম ভ্রাতুষ্পুত্রদের জন্য কিছু ক্রয় করেছিলেন। পরে তা উচ্চ মূল্যে বিক্রি হয়েছিল। এরপর মালিক (র) বলেন, ইয়াতীমদের ওলী বা তত্ত্বাবধায়ক যদি আস্থাভাজন ও আমানতদার হন, তবে ইয়াতীমদের সম্পদ দিয়ে ব্যবসা করায় খারাপ কিছু নেই। ব্যবসায় ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ তার উপর বর্তাবে না—এ কথাও বলা হয়েছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, ইয়াতীমের সম্পদে কাজ করার জন্য সততা ও আমানতদারি খুব গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, ইয়াতীমের উপকারের জন্য কাজ করতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইয়াতীমের সম্পদ ব্যবস্থাপনায় আমানতদারি জরুরি।
- আস্থাভাজন ওলী হলে সম্পদ দিয়ে ব্যবসার সুযোগ আছে।
- ব্যবসায় ক্ষতি হলে তত্ত্বাবধায়কের দায় সম্পর্কে বর্ণনায় সীমিত কথা এসেছে।
- ইয়াতীমের উপকারকে সামনে রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
