১৭/১. অধ্যায়ঃ
কি ধরনের এবং কি পরিমাণ সম্পদে যাকাত দেয়া ওয়াজিব
যাকাতযোগ্য সম্পদ: শস্য, স্বর্ণ-রৌপ্য ও পশুপাল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৫৬২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৫৬২
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ كَتَبَ إِلَى عَامِلِهِ عَلَى دِمَشْقَ فِي الصَّدَقَةِ إِنَّمَا الصَّدَقَةُ فِي الْحَرْثِ وَالْعَيْنِ وَالْمَاشِيَةِ ৮৩৫-قَالَ مَالِك وَلَا تَكُونُ الصَّدَقَةُ إِلَّا فِي ثَلَاثَةِ أَشْيَاءَ فِي الْحَرْثِ وَالْعَيْنِ وَالْمَاشِيَةِ.
মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু আবদুল আযীয্ (র) দামেশকে নিযুক্ত শাসনকর্তাকে লিখে পাঠালেন স্বর্ণ, রৌপ্য, শস্য এবং পশুপালে যাকাত ধার্য করা হয়ে থাকে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেন, তিন প্রকার বস্তুতে যাকাত ধার্য হয় ক্ষেতের শস্য, স্বর্ণ-রৌপ্য এবং পশুপালে।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৫৬২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় যাকাতযোগ্য সম্পদের মূল তিনটি ধরন বলা হয়েছে। উমার ইবনু আবদুল আযীয দামেশকের শাসনকর্তাকে লিখে জানান যে, স্বর্ণ, রৌপ্য, শস্য এবং পশুপালে যাকাত ধার্য হয়। এরপর ইমাম মালিক বলেন, তিন প্রকার বস্তুতে যাকাত ধার্য হয়: ক্ষেতের শস্য, স্বর্ণ-রৌপ্য এবং পশুপাল। এখানে মূল শিক্ষা হলো, যাকাত একটি নির্দিষ্ট আর্থিক ইবাদত; সব ধরনের জিনিসে একভাবে যাকাত আসে না। যেসব সম্পদ উৎপাদন, সঞ্চয় বা পশুপালের সঙ্গে সম্পর্কিত, সেগুলোর হিসাব আলাদা করে দেখতে হয়। তাই যাকাতের হিসাব করার সময় সম্পদের প্রকৃতি বোঝা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যাকাতযোগ্য সম্পদ নির্দিষ্ট ধরনের হয়ে থাকে।
- শস্য, স্বর্ণ-রৌপ্য ও পশুপাল যাকাতের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।
- যাকাতের হিসাব করার আগে সম্পদের ধরন জানা প্রয়োজন।
- শাসন ও সমাজে যাকাত আদায়ের নিয়মকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
