১৬/১৬. অধ্যায়ঃ

জানাযা সংক্রান্ত বিবিধ আহকাম

ওফাতের আগে নবীজির দোয়া: ক্ষমা, রহমত ও রফীকুল আ’লা

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৫৪৯

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ عَبَّادِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ الزُّبَيْرِ أَنَّ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَخْبَرَتْهُ أَنَّهَا سَمِعَتْ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَبْلَ أَنْ يَمُوتَ وَهُوَ مُسْتَنِدٌ إِلَى صَدْرِهَا وَأَصْغَتْ إِلَيْهِ يَقُولُ اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَأَلْحِقْنِي بِالرَّفِيقِ الْأَعْلَى.

আব্বাস ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (র) হতে বর্ণিতঃ

নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী আয়েশা (রা) তাঁকে খবর দিয়াছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর ওফাতের পূর্বে যখন আয়েশা (রা)-এর বুকে মাথা রেখে শায়িত ছিলেন তখন আয়েশা (রা) তাঁর দিকে ঝুঁকে রয়েছিলেন। (বুখারী ৪৪৪০, মুসলিম ২৪৪৪)তখন তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন اللهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَأَلْحِقْنِي بِالرَّفِيقِ الْأَعْلَى ৪৬ [১] و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَائِشَةَ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مِنْ نَبِيٍّ يَمُوتُ حَتَّى يُخَيَّرَ قَالَتْ فَسَمِعْتُهُ يَقُولُ اللهُمَّ الرَّفِيقَ الْأَعْلَى فَعَرَفْتُ أَنَّهُ ذَاهِبٌ.নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, এখতিয়ার দেয়ার পূর্বে কোন নাবীর ওফাত হয় না। তিনি (আয়েশা রা.) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি اَللّٰهُمَّ الرَّفِيْقَ الْأَعْلَى তখন আমি জানতে পারলাম, তিনি পরলোকগমন করতেছেন। (বুখারী ৪৪৩৫, মুসলিম ২৪৪৪, আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদটি মুনকাতে’)

[১] হে আল্লাহ্! আমাকে ক্ষমা করুন এবং দয়া করুন, আর আমাকে === -এর সঙ্গে মিলিয়ে দিন।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৫৪৯-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেছেন, রসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তাঁর ওফাতের আগে আয়েশা (রা.)-এর বুকে মাথা রেখে ছিলেন। তিনি তখন দোয়া করছিলেন: “হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমার ওপর রহম করুন এবং আমাকে রফীকুল আ’লার সাথে মিলিত করুন।” একই বিষয়ে বর্ণনায় এসেছে, কোনো নবীর ওফাতের আগে তাকে এখতিয়ার দেওয়া হয়। আয়েশা (রা.) যখন নবীজি صلى الله عليه وسلم-কে “আল্লাহুম্মার রফীকাল আ’লা” বলতে শুনলেন, তখন বুঝলেন তিনি চলে যাচ্ছেন। এই হাদিসে মৃত্যু সময়ের দোয়া, আল্লাহর রহমতের আশা এবং নবীজির শেষ অবস্থার একটি কোমল ছবি পাওয়া যায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মৃত্যুর সময় আল্লাহর ক্ষমা ও রহমত চাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
  • নবীজি صلى الله عليه وسلم শেষ সময়ে রফীকুল আ’লার সঙ্গ চেয়েছেন।
  • আয়েশা (রা.) নবীজির কথার মাধ্যমে তাঁর বিদায়ের ইঙ্গিত বুঝেছিলেন।
  • হাদিসটি মৃত্যুর সময় দোয়া ও আল্লাহমুখী হওয়ার শিক্ষা দেয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন