১৬/১১. অধ্যায়ঃ
জানাযার জন্য দণ্ডায়মান হওয়া ও কবরের উপর বসা
কবরের উপর বসা: বর্ণনা ও নিষেধের সীমা বোঝা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৫৩৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৫৩৭
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ كَانَ يَتَوَسَّدُ الْقُبُورَ وَيَضْطَجِعُ عَلَيْهَا৭৯৯-قَالَ مَالِك وَإِنَّمَا نُهِيَ عَنْ الْقُعُودِ عَلَى الْقُبُورِ فِيمَا نُرَى لِلْمَذَاهِبِ.
মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আলী ইবনু আবি তালিব (রা) কবরকে তাকিয়া বানাতেন আর উহার উপর শুইতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেন, আমরা যা জানি তা হল, মলমূত্র ত্যাগের জন্য কবরের উপর বসতে নিষেধ করা হয়েছে।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৫৩৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কবরের উপর বসা বা শোয়া বিষয়ে একটি বর্ণনা এবং তার ব্যাখ্যা এসেছে। ইমাম মালিক (র)-এর কাছে খবর পৌঁছেছে যে, আলী ইবনু আবি তালিব (রা) কবরকে তাকিয়া বানাতেন এবং তার উপর শুইতেন। এরপর মালিক (র) বলেন, আমাদের জানা মতে কবরের উপর বসতে যে নিষেধ এসেছে, তা মলমূত্র ত্যাগের জন্য বসার ক্ষেত্রে। এখানে মূল বিষয় হলো কবরের আদব এবং নিষেধের সীমা। এই হাদিসে দুটি অংশ আলাদা করে বুঝতে হবে—একটি হলো আলী (রা)-এর নামে পৌঁছানো বর্ণনা, অন্যটি মালিক (র)-এর ব্যাখ্যা। তাই কবরের বিষয়ে কথা বলার সময় সতর্কতা দরকার। কবরকে অসম্মান করা যাবে না, আবার বর্ণনার ভাষার বাইরে বাড়তি কথা বলাও ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কবরের বিষয়ে বর্ণনা ও ব্যাখ্যা আলাদা করে বুঝতে হয়।
- মালিক (র) নিষেধকে মলমূত্র ত্যাগের জন্য বসার সঙ্গে যুক্ত করেছেন।
- কবরের আদব রক্ষা করা প্রয়োজন।
- হাদিসের সীমা ছাড়িয়ে অতিরিক্ত দাবি করা উচিত নয়।
