১৬/৯. অধ্যায়ঃ
জানাযার নামাযের বিবিধ আহকাম
জানাযার সালাম ফিরানো: পাশের লোককে শুনিয়ে আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৫২৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৫২৮
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ إِذَا صَلَّى عَلَى الْجَنَائِزِ يُسَلِّمُ حَتَّى يُسْمِعَ مَنْ يَلِيْهِ.
নাফি’ (র) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যখন জানাযার নামায আদায় করতেন, তখন (নামাযান্তে) পার্শ্ববর্তী লোকে শুনে এভাবে উচ্চৈঃস্বরে সালাম ফিরাতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৫২৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জানাযার নামায শেষে সালাম ফিরানোর একটি আমল এসেছে। নাফি (র) বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) যখন জানাযার নামায আদায় করতেন, তখন পাশের লোকেরা শুনতে পায় এমনভাবে সালাম ফিরাতেন। এখানে মূল বিষয় হলো জানাযার সালাম এবং নামায শেষে সালামের আওয়াজ। হাদিসে উচ্চৈঃস্বরে সালাম ফিরানোর কথা এসেছে, কিন্তু এর সীমা হলো পাশের লোকদের শোনানো। তাই এটিকে চিৎকার বা অতিরিক্ত উচ্চ আওয়াজ হিসেবে বোঝা ঠিক নয়। জানাযার সালাতেও নামাযের শেষ চিহ্ন হিসেবে সালাম আছে, এবং ইবনু উমার (রা)-এর আমল থেকে তা স্পষ্ট হয়। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, ইবাদতে শব্দ, শৃঙ্খলা ও অনুসরণের ভারসাম্য থাকা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জানাযার নামায শেষে সালাম ফিরানোর আমল এসেছে।
- সালাম এমনভাবে দেওয়া হতো, যাতে পাশের লোকেরা শুনতে পায়।
- ইবাদতে অতিরিক্ততা নয়, বরং পরিমিত আচরণ দরকার।
- সাহাবির আমল জানাযার পদ্ধতি বুঝতে সাহায্য করে।
