২/৫. অধ্যায়ঃ
আগুনে জ্বাল দেওয়া বস্তু খেয়ে ওযূ না করা
রাতের খাবার খেয়ে ওযূ না করা: উমার (রাঃ)-এর আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৫১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৫১
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ وَعَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ أَنَّهُمَا أَخْبَرَاهُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ التَّيْمِيِّ عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ الْهُدَيْرِ أَنَّهُ تَعَشَّى مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ثُمَّ صَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ.
রবী’আ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু হুদায়র (র) হতে বর্ণিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর সাথে সন্ধ্যাকালীন খাবার খেলেন, তারপর নামায আদায় করলেন আর অযূ করলেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৫১-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় খাবার খাওয়ার পর ওযূর বিষয়ে সাহাবাদের একটি আমল এসেছে। বর্ণনাকারী উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর সঙ্গে সন্ধ্যাকালীন খাবার খেলেন। তারপর নামায আদায় করলেন, কিন্তু নতুন করে ওযূ করলেন না। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও এর শিক্ষা পরিষ্কার। শুধু খাবার খাওয়া ওযূ ভঙ্গের কারণ নয়—এই দিকটি এখানে দেখা যায়। বিশেষ করে যারা ভাবেন, খাবার খাওয়ার পর নামাযের জন্য অবশ্যই নতুন ওযূ লাগবে, তাদের জন্য এই বর্ণনা সহজতা শেখায়। অবশ্য মুখে খাবারের গন্ধ বা অংশ থাকলে পরিষ্কার করা ভালো—এটি অন্য বর্ণনায় কুলি করার আমল থেকে বোঝা যায়। কিন্তু এই নির্দিষ্ট বর্ণনায় নতুন ওযূ করা হয়নি, এটাই মূল বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উমার (রাঃ)-এর সঙ্গে খাবার খাওয়ার পর নতুন ওযূ করা হয়নি।
- খাবার খাওয়া নিজে ওযূ ভঙ্গের কারণ নয়—এই শিক্ষা পাওয়া যায়।
- নামাযের আগে পবিত্র থাকা জরুরি, কিন্তু সব খাবারের পর নতুন ওযূ বাধ্যতামূলক নয়।
- সাহাবাদের আমল পবিত্রতার বিধান বুঝতে সাহায্য করে।
