১৫/৯. অধ্যায়ঃ
দু’আর নিয়ম
মুত্তাকিদের আদর্শ হওয়ার দোয়া ও তাকওয়ার শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৪৯৫
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৪৯৫
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ قَالَ اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِي مِنْ أَئِمَّةِ الْمُتَّقِيْنَ.
মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) দু’আ করেন,اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِي مِنْ أَئِمَّةِ الْمُتَّقِيْنَ.“হে প্রভু! আমাকে আদর্শ মুত্তাকিনদের অন্তভূক্ত কর।” (সহীহ, মুসলিম ২৬৭৪)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৪৯৫-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুর একটি দোয়া এসেছে। তিনি বলতেন, হে প্রভু, আমাকে আদর্শ মুত্তাকিদের অন্তর্ভুক্ত করুন। দোয়াটি ছোট, কিন্তু এর শিক্ষা বড়। এখানে বান্দা শুধু সাধারণ ভালো হওয়ার জন্য নয়, তাকওয়াবানদের সুন্দর আদর্শের মধ্যে থাকতে চায়। তাকওয়া মানে আল্লাহভীতি ও আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে থাকা—তবে এই বর্ণনায় বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি, তাই অতিরিক্ত কথা না বাড়িয়ে বলা যায়, তিনি আল্লাহর কাছে ভালো পথের নেতৃত্ব ও আদর্শ মানুষের সঙ্গে থাকার দোয়া করেছেন। এই দোয়া আমাদের শেখায়, নিজের চরিত্র, আমল ও প্রভাবের জন্য আল্লাহর সাহায্য চাইতে হয়। মূল বিষয় হলো তাকওয়ার দোয়া, ভালো আদর্শ এবং আল্লাহর কাছে উচ্চ লক্ষ্য নিয়ে প্রার্থনা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তাকওয়াবানদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য দোয়া করা উচিত।
- ভালো আদর্শ হওয়াও আল্লাহর কাছে চাওয়ার বিষয়।
- ছোট দোয়াতেও বড় লক্ষ্য প্রকাশ পেতে পারে।
- নিজের আমল ও চরিত্রের উন্নতির জন্য আল্লাহর সাহায্য দরকার।
