১৫/৯. অধ্যায়ঃ
দু’আর নিয়ম
সন্তানের দোয়া: মৃত্যুর পর পিতামাতার মর্যাদা বৃদ্ধির আশা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৪৯১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৪৯১
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ كَانَ يَقُولُ إِنَّ الرَّجُلَ لَيُرْفَعُ بِدُعَاءِ وَلَدِهِ مِنْ بَعْدِهِ وَقَالَ بِيَدَيْهِ نَحْوَ السَّمَاءِ فَرَفَعَهُمَا.
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) হতে বর্ণিতঃ
নিঃসন্দেহে লোকের দরজা বুলন্দ করা হয় তার মৃত্যুর পর তার সন্তানের দু’আর কারণে। আর তিনি তাঁর হাত দ্বারা আসমানের দিকে ইশারা করে উভয় হাত উপরে উঠালেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৪৯১-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় সন্তানের দোয়ার একটি সুন্দর প্রভাব বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার সন্তানের দোয়ার কারণে তার মর্যাদা বুলন্দ করা হয়। বর্ণনাকারী হাত আসমানের দিকে উঠিয়ে বিষয়টি বুঝিয়েছেন। এখানে মূল শিক্ষা হলো, সন্তান শুধু জীবিত অবস্থায় পিতামাতার উপকার করতে পারে না; মৃত্যুর পরও দোয়ার মাধ্যমে তাদের জন্য কল্যাণ কামনা করতে পারে। হাদিসের ভাষায় মর্যাদা বৃদ্ধির কথা এসেছে, তাই এটিকে দোয়ার মূল্য ও পিতামাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্বের সঙ্গে বুঝতে হয়। তবে অতিরিক্ত দাবি না করে বলা যায়, সন্তানের দোয়া মৃত পিতামাতার জন্য কল্যাণের কারণ হতে পারে। এই বর্ণনার মূল বিষয় সন্তানের দোয়া, মৃত্যুর পর উপকার এবং পিতামাতার জন্য দোয়া করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সন্তানের দোয়া মৃত্যুর পর পিতামাতার জন্য কল্যাণের কারণ হতে পারে।
- মৃতদের জন্য দোয়া করা ইসলামী আদবের অংশ।
- সন্তানের দায়িত্ব শুধু জীবিত অবস্থায় সীমাবদ্ধ নয়।
- দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে মর্যাদা বৃদ্ধির আশা করা যায়।
