১৫/৮. অধ্যায়ঃ
দু’আ
দোয়ার ফল: কবুল, সঞ্চয় অথবা গুনাহের কাফফারা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৪৮৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৪৮৯
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ أَنَّهُ كَانَ يَقُوْلُ، مَا مِنْ دَاعٍ يَدْعُو إِلَّا كَانَ بَيْنَ إِحْدَى ثَلَاثٍ إِمَّا أَنْ يُسْتَجَابَ لَهُ وَإِمَّا أَنْ يُدَّخَرَ لَهُ وَإِمَّا أَنْ يُكَفَّرَ عَنْهُ.
যায়দ ইবনু ইসলাম (র) হতে বর্ণিতঃ
যে কোন ব্যক্তি দু’আ করে, সে তিনটির একটি অবশ্যই পাবে; হয় তো তার দু’আ কবুল করা হবে, অথবা প্রার্থিত বস্তু তার জন্য সঞ্চিত রাখা হবে, অথবা এই দু’আ তার গুনাহের কাফফারা হবে। (একই অর্থে ইমাম তিরমিযী মারফু সনদে হাদীস বর্ণনা করেছেন তিরমিযী ৩৯৫৭, এবং আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ আল জামে ৫৭১৪]। التكفير অংশটুকু ব্যতীত আর التكفير শব্দ সহ তিনি যয়ীফ বলেছেন [যয়ীফ আল-জামে] ৫১৭৭)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৪৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় দোয়ার ব্যাপারে বান্দাকে আশা দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি দোয়া করে, সে তিনটির একটি পায়: তার দোয়া কবুল করা হয়, অথবা প্রার্থিত জিনিস তার জন্য সঞ্চিত রাখা হয়, অথবা সেই দোয়া তার গুনাহের কাফফারা হয়। এখানে দোয়ার ফলকে শুধু তাৎক্ষণিক পাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয়নি। অনেক সময় বান্দা মনে করে, সে যা চেয়েছে তা না পেলে দোয়া ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু এই বর্ণনা শেখায়, দোয়া আল্লাহর কাছে মূল্যবান। দোয়ার ফল কখন কীভাবে আসে, তা বান্দার হাতে নয়। তাই দোয়া করার সময় আশা রাখা, ধৈর্য রাখা এবং আল্লাহর সিদ্ধান্তের ওপর ভরসা করা দরকার। এই বর্ণনার মূল বিষয় দোয়ার ফলাফল, দোয়া কবুল এবং গুনাহ মাফের আশা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দোয়ার ফল শুধু তাৎক্ষণিক পাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
- দোয়া কবুল হতে পারে বা বান্দার জন্য সঞ্চিত থাকতে পারে।
- দোয়া গুনাহের কাফফারার কারণ হতে পারে বলে বর্ণনায় এসেছে।
- দোয়ার পর আল্লাহর সিদ্ধান্তের ওপর ভরসা রাখা উচিত।
