১৫/৮. অধ্যায়ঃ
দু’আ
দোয়া কবুলে ধৈর্য: তাড়াহুড়া না করার শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৪৮২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৪৮২
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ مَوْلَى ابْنِ أَزْهَرَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يُسْتَجَابُ لِأَحَدِكُمْ مَا لَمْ يَعْجَلْ فَيَقُولُ قَدْ دَعَوْتُ فَلَمْ يُسْتَجَبْ لِي.
আবূ হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের এক ব্যক্তির দু’আ কবূল করা হয় (যখন দু’আ করে) যদি সে তাড়াতাড়ি না করে। সে বলে আমি দু’আ করেছিলাম, কিন্তু আমার দু’আ কবূল করা হল না। (বুখারী ৬৩৪০, মুসলিম ২৭৩৫)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৪৮২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে দোয়া কবুল হওয়ার বিষয়ে বান্দার আচরণ কেমন হওয়া উচিত, তা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বান্দার দোয়া কবুল করা হয়, যতক্ষণ সে তাড়াহুড়া না করে। তাড়াহুড়ার একটি চিহ্ন হলো সে বলে, আমি দোয়া করেছিলাম, কিন্তু আমার দোয়া কবুল হলো না। এখানে দোয়া ছাড়ার মনোভাব থেকে সতর্ক করা হয়েছে। দোয়া মানে শুধু মুখের কথা নয়, আল্লাহর ওপর ভরসা ও ধৈর্যের প্রকাশ। বান্দা তার দরকার আল্লাহর কাছে বারবার বলবে, কিন্তু ফল নিয়ে অভিযোগ করবে না। এই হাদিস দোয়া কবুল, দোয়ার আদব এবং আল্লাহর কাছে আশা রেখে অপেক্ষা করার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দোয়া করার পর দ্রুত ফল না দেখলে হতাশ হওয়া ঠিক নয়।
- দোয়া কবুলের ব্যাপারে ধৈর্য রাখা দরকার।
- আমি দোয়া করেছি কিন্তু কবুল হয়নি—এমন অভিযোগ থেকে বাঁচতে হবে।
- আল্লাহর কাছে চাওয়া চালিয়ে যাওয়া দোয়ার গুরুত্বপূর্ণ আদব।
