১৪/৫. অধ্যায়ঃ
মসজিদুন-নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ফযীলত
রওজা শরীফের ফজিলত: নবীজির ঘর ও মিম্বরের মাঝের স্থান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৪৪৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৪৪৯
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَوْ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا بَيْنَ بَيْتِي وَمِنْبَرِي رَوْضَةٌ مِنْ رِيَاضِ الْجَنَّةِ وَمِنْبَرِي عَلَى حَوْضِي.
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবূ সাঈদ খুদরী (রা) হতে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার ঘর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থান জান্নাতের বাগিচাসমূহের একটি বাগিচা। আর আমার মিম্বর হাওযের উপর অবস্থিত। (বুখারী ১১৯৬, মুসলিম ১৩৯১, আবূ হুরাইরা থেকে)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৪৪৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘর ও মিম্বরের মাঝের স্থানের বিশেষ মর্যাদা বলেছেন। তিনি বলেন, তাঁর ঘর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থান জান্নাতের বাগিচাসমূহের একটি বাগিচা। আরও বলেন, তাঁর মিম্বর হাওযের উপর অবস্থিত। হাদিসে যে স্থানটির কথা এসেছে, সেটি মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত। তবে ব্যাখ্যায় বাড়তি দাবি না করে হাদিসের ভাষাতেই থাকা ভালো। মূল শিক্ষা হলো, মসজিদে নববীর কিছু স্থানের বিশেষ ফজিলত আছে। এ বর্ণনা মুসলিমদের মনে নবীজির মসজিদ ও তাঁর স্মৃতিবাহী স্থানের প্রতি শ্রদ্ধা জাগায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজির ঘর ও মিম্বরের মাঝের স্থানের বিশেষ মর্যাদা আছে।
- হাদিসে ওই স্থানকে জান্নাতের বাগিচার একটি বাগিচা বলা হয়েছে।
- মসজিদে নববীর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা রাখা উচিত।
