১৪/৪. অধ্যায়ঃ

কিবলার বর্ণনা

বায়তুল মুকাদ্দাস থেকে কাবা: কিবলা পরিবর্তনের সময়কাল

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৪৪৬

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعْدَ أَنْ قَدِمَ الْمَدِينَةَ سِتَّةَ عَشَرَ شَهْرًا نَحْوَ بَيْتِ الْمَقْدِسِ ثُمَّ حُوِّلَتْ الْقِبْلَةُ قَبْلَ بَدْرٍ بِشَهْرَيْنِ.

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) হতে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় শুভাগমন করার পর ষোল মাস যাবত বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে নামায আদায় করেছেন। অতঃপর বদরের (যুদ্ধের) দুই মাস পূর্বে কিবলা পরিবর্তন হয়। (মারফু, বুখারী ৪১, মুসলিম ৫২৫)

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৪৪৬-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে কিবলা পরিবর্তনের সময়কাল সংক্ষেপে বলা হয়েছে। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় আসার পর ষোল মাস বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করেছেন। এরপর বদরের যুদ্ধের দুই মাস আগে কিবলা পরিবর্তন হয়। এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, সাহাবীদের কাছে নামাজের দিক একটি জানা ও মানা বিষয় ছিল। কিবলা পরিবর্তন আল্লাহর নির্দেশের সঙ্গে যুক্ত ছিল, আর নবীজি সেই নির্দেশ অনুযায়ী আমল করেছেন। হাদিসটির শিক্ষা হলো, ইবাদতের পদ্ধতি ব্যক্তিগত পছন্দে নয়; রাসূলের অনুসরণ ও নির্দেশিত নিয়মে করা হয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নামাজে কিবলার দিক রাসূলের অনুসরণে মানা হয়।
  • মদীনায় আসার পর নির্দিষ্ট সময় বায়তুল মুকাদ্দাস কিবলা ছিল।
  • কিবলা পরিবর্তন আল্লাহর নির্দেশের সঙ্গে সম্পর্কিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন