১৪/১. অধ্যায়ঃ

শৌচকার্যে গমন করলে তখন কিবলাকে সামনে রাখা নিষেধ

শৌচকার্যে কিবলার আদব: পবিত্র দিকের প্রতি সম্মান

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৪৪১

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ رَجُلٍ مِنْ الْأَنْصَارِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى أَنْ تُسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةُ لِغَائِطٍ أَوْ بَوْلٍ.

আনসারী সাহাবী (রা) হতে বর্ণিতঃ

শৌচকার্যের সময় কিবলাকে সামনে করে বসতে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে নিষেধ করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৪৪১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসের মূল বিষয় হলো শৌচকার্যে কিবলার আদব। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের প্রস্রাব বা পায়খানার সময় কিবলাকে সামনে করে বসতে নিষেধ করেছেন। এখান থেকে বোঝা যায়, কিবলা শুধু নামাজের দিক নয়; মুসলিম জীবনে এটি সম্মানের একটি বড় চিহ্ন। দৈনন্দিন কাজেও একজন মুমিনের শালীনতা ও আদব থাকা দরকার। হাদিসে বিষয়টি খুব সরলভাবে এসেছে—গায়িত বা পেশাবের সময় কিবলার দিকে মুখ করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। তাই এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, ইবাদতের বাইরে সাধারণ অবস্থাতেও কিবলার মর্যাদা মনে রাখা উচিত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • শৌচকার্যের সময় কিবলার দিকে মুখ করা থেকে বিরত থাকা উচিত।
  • কিবলার সম্মান শুধু নামাজের সময়ের বিষয় নয়।
  • দৈনন্দিন কাজেও ইসলামী আদব বজায় রাখা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন