১৩/৩. অধ্যায়ঃ
নক্ষত্রের সাহায্যে বৃষ্টি প্রার্থনা
বৃষ্টিবাহী মেঘ: বর্ষণের সম্ভাবনা নিয়ে নবীজির কথা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৪৩৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৪৩৮
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ إِذَا أَنْشَأَتْ بَحْرِيَّةً ثُمَّ تَشَاءَمَتْ فَتِلْكَ عَيْنٌ غُدَيْقَة.
মলিক (র) হতে বর্ণিতঃ
সমুদ্রের দিক হতে মেঘ উঠিয়া শাম অভিমুখে গমন করল, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন عَيْنٌ غُدَيْقَة এটি ‘বর্ষণপূর্ণ প্রস্রবণ’। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৪৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় মেঘ ও বৃষ্টির একটি সংক্ষিপ্ত ইঙ্গিত এসেছে। বলা হয়েছে, সমুদ্রের দিক থেকে মেঘ উঠলে এবং তা শামের দিকে গেলে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন, এটি বর্ষণপূর্ণ প্রস্রবণ। হাদিসটি খুব ছোট, তাই এর ব্যাখ্যাও সীমিত রাখা দরকার। এখানে মূল শিক্ষা হলো, বৃষ্টি ও মেঘ আল্লাহর সৃষ্ট জগতের অংশ, আর নবীজি (সা.) মেঘের গতিপথ সম্পর্কে একটি বিশেষ বাক্য বলেছেন। এই বর্ণনায় কোনো দোয়া, নামাজ বা আলাদা বিধান সরাসরি নেই। তাই এটিকে বৃষ্টি ও মেঘ সম্পর্কে একটি বর্ণিত কথা হিসেবে বুঝতে হবে। আগের ও পরের বর্ণনাগুলোতে বৃষ্টিকে আল্লাহর রহমত বলা হয়েছে, তবে এই হাদিসে শুধু মেঘের লক্ষণ ও বর্ষণের ইঙ্গিত এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সমুদ্রদিকের মেঘ শামের দিকে গেলে বর্ষণের ইঙ্গিত হিসেবে কথা এসেছে।
- মেঘ ও বৃষ্টি আল্লাহর সৃষ্টি—এগুলো থেকে মানুষ শিক্ষা নিতে পারে।
- সংক্ষিপ্ত হাদিসের ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত বিধান যোগ করা উচিত নয়।
- বৃষ্টির প্রসঙ্গে নবীজি (সা.)-এর ব্যবহৃত ভাষা সংরক্ষিত হয়েছে।
