১১/১. অধ্যায়ঃ

সালাতুল-খাওফ বা ভয়কালীন নামায

সালাতুল খাওফ: যুদ্ধের ভয়ে নামাজের দলভিত্তিক পদ্ধতি

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৪২৬

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ عَمَّنْ صَلَّى مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ ذَاتِ الرِّقَاعِ صَلَاةَ الْخَوْفِ أَنَّ طَائِفَةً صَفَّتْ مَعَهُ وَصَفَّتْ طَائِفَةٌ وِجَاهَ الْعَدُوِّ فَصَلَّى بِالَّتِي مَعَهُ رَكْعَةً ثُمَّ ثَبَتَ قَائِمًا وَأَتَمُّوا لِأَنْفُسِهِمْ ثُمَّ انْصَرَفُوا فَصَفُّوا وِجَاهَ الْعَدُوِّ وَجَاءَتْ الطَّائِفَةُ الْأُخْرَى فَصَلَّى بِهِمْ الرَّكْعَةَ الَّتِي بَقِيَتْ مِنْ صَلَاتِهِ ثُمَّ ثَبَتَ جَالِسًا وَأَتَمُّوا لِأَنْفُسِهِمْ ثُمَّ سَلَّمَ بِهِمْ.

সালিহ ইবনু খাওয়াত (র) হতে বর্ণিতঃ

এমন এক ব্যক্তি হতে বর্ণনা করেন, যিনি জাতুররিকা’ যুদ্ধের দিন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সালাতুল-খাওফ আদায় করেন। একদল তাঁর সাথে কাতারে দাঁড়িয়েছিল, আর একদল শত্রুর মুকাবেলায় সারিবদ্ধ ছিল। যে দল তাঁর সাথে ছিল, তিনি সে দলকে নিয়ে এক রাক’আত সালাতুল-খাওফ আদায় করলেন। অতঃপর তিনি দণ্ডায়মান রইলেন, (দলে যাঁরা ছিলেন) তাঁরা নিজের নামায আদায় করে নিলেন।অতঃপর তাঁরা প্রত্যাবর্তন করে শত্র“র মুকাবেলায় সারিবদ্ধ হয়ে গেলেন। তারপর দ্বিতীয় দল উপস্থিত হল। নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের সাথে বাকি নামায আদায় করলেন। অতঃপর তিনি বসা অবস্থায় রইলেন। সঙ্গিগণ তাদের নামায পূর্ণ করলে তাঁদের সাথে সালাম ফিরালেন। (বুখারী ৪১২৯, ৪১৩০, মুসলিম ৮৪২)

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৪২৬-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে জাতুররিকা’ যুদ্ধের দিনের সালাতুল খাওফের পদ্ধতি এসেছে। তখন একদল সাহাবি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে কাতারে দাঁড়িয়েছিলেন, আর আরেক দল শত্রুর সামনে অবস্থান করছিলেন। নবীজি (সা.) প্রথম দলকে নিয়ে এক রাকআত পড়ালেন। এরপর তিনি দাঁড়িয়ে রইলেন, আর ওই দল নিজেদের বাকি নামাজ পূর্ণ করল। তারপর তারা শত্রুর সামনে গিয়ে দাঁড়াল। এরপর দ্বিতীয় দল এলো। নবীজি (সা.) তাঁদের সাথে নিজের বাকি নামাজ আদায় করলেন। তারপর তিনি বসে থাকলেন, তাঁরা নিজেদের নামাজ পূর্ণ করলেন, এরপর তিনি তাঁদের সাথে সালাম ফিরালেন। এই বর্ণনায় ভয় ও সতর্কতার অবস্থায়ও নামাজ আদায়ের গুরুত্ব খুব পরিষ্কারভাবে দেখা যায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ভয়ের সময়েও নামাজের গুরুত্ব বজায় থাকে।
  • সালাতুল খাওফে মুসল্লিরা নিরাপত্তা ও নামাজ—দুই দিকই খেয়াল রাখে।
  • নবীজি (সা.) একদলকে নিয়ে এক রাকআত এবং অন্য দলকে নিয়ে বাকি রাকআত আদায় করেছেন।
  • ইবাদত ও বাস্তব নিরাপত্তা—দুটির মধ্যে সুন্দর সমন্বয় রাখা হয়েছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন