১০/৩. অধ্যায়ঃ
প্রভাতে ঈদের পূর্বে আহার গ্রহণের নির্দেশ
ঈদুল ফিতরে আগে খাওয়া: ফিতর ও আযহার পার্থক্য
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৪১৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৪১৯
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ النَّاسَ كَانُوا يُؤْمَرُونَ بِالْأَكْلِ يَوْمَ الْفِطْرِ قَبْلَ الْغُدُوِّ قَالَ مَالِك وَلَا أَرَى ذَلِكَ عَلَى النَّاسِ فِي الْأَضْحَى.
ইবনু শিহাব (র) হতে বর্ণিতঃ
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) তাঁকে অবগত করেন যে, (তাঁদের যুগে) ঈদুল ফিতরের দিন লোকজন সকালে ঈদে যাওয়ার পূর্বে কিছু আহার করার জন্য নির্দেশিত হত।ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, ঈদুল আযহাতে (কুরবানীর ঈদে) লোকের জন্য আমি এটা প্রয়োজন মনে করি না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৪১৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনার মূল বিষয় হলো ঈদুল ফিতরের সকালে আহার করা। সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব রহিমাহুল্লাহ জানান, তাঁদের সময়ে ঈদুল ফিতরের দিন মানুষকে সকালে ঈদে যাওয়ার আগে কিছু খেতে বলা হতো। এরপর ইমাম মালিক রহিমাহুল্লাহ বলেন, ঈদুল আযহার ক্ষেত্রে তিনি মানুষের জন্য এটি প্রয়োজন মনে করেন না। এখানে দুটি ঈদের মধ্যে একটি ব্যবহারিক পার্থক্য দেখা যায়। ঈদুল ফিতর রমযানের রোযা শেষ হওয়ার দিন, তাই নামাজের আগে খাওয়ার বিষয়টি বিশেষভাবে এসেছে। আর ঈদুল আযহার ব্যাপারে একই কথা বলা হয়নি। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, ইসলামী আমলে দিন ও উপলক্ষ অনুযায়ী পদ্ধতির পার্থক্য থাকতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহে যাওয়ার আগে আহার করার বর্ণনা আছে।
- ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার কিছু আমলে পার্থক্য থাকতে পারে।
- সাহাবী-তাবেঈদের আমল থেকে ঈদের দিনের প্রস্তুতি বোঝা যায়।
