৯/২৪. অধ্যায়ঃ
নামায সম্পর্কিত বিবিধ আহ্কাম
নামাজের হিসাব: আমলের প্রথম নজর
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৪০৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৪০৬
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ قَالَ بَلَغَنِي أَنَّ أَوَّلَ مَا يُنْظَرُ فِيهِ مِنْ عَمَلِ الْعَبْدِ الصَّلَاةُ فَإِنْ قُبِلَتْ مِنْهُ نُظِرَ فِيمَا بَقِيَ مِنْ عَمَلِهِ وَإِنْ لَمْ تُقْبَلْ مِنْهُ لَمْ يُنْظَرْ فِي شَيْءٍ مِنْ عَمَلِهِ.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) হতে বর্ণিতঃ
আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, বান্দার আমল হতে সর্বপ্রথম যে আমলেন প্রতি নযর করা হবে, তা হচ্ছে নামায, অতঃপর তার নামায যদি কবুল করা হয়, তবে অন্যান্য আমলের প্রতি নযর দেয়া হবে। আর যদি নামায তার গ্রহণযোগ্য না হয়, তবে তার আমলের কোন কিছুর প্রতি নযর দেয়া হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, ইমাম আবূ দাঊদ আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, আবূ দাঊদ ৮৬৪, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন সহীহ ও যঈফ সুনানে আবূ দাঊদ)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৪০৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো নামাজের গুরুত্ব। বর্ণনায় এসেছে, বান্দার আমলের মধ্যে প্রথম যে আমলের দিকে নজর করা হবে, তা হলো নামাজ। যদি তার নামাজ কবুল করা হয়, তবে বাকি আমলের দিকে নজর দেওয়া হবে। আর যদি নামাজ গ্রহণযোগ্য না হয়, তবে অন্য আমলের দিকে নজর দেওয়া হবে না। এই বক্তব্য নামাজকে জীবনের কেন্দ্রীয় ইবাদত হিসেবে বুঝতে সাহায্য করে। এখানে কোনো বাহুল্য কথা নেই; সরাসরি জানানো হয়েছে যে নামাজ মানুষের আমল মূল্যায়নে বড় স্থান রাখে। তাই নামাজ শুধু দৈনিক অভ্যাস নয়, বরং আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর নিয়মিত সুযোগ। নামাজ ঠিক রাখা মানে নিজের দ্বীনি জীবনকে ঠিক রাখার চেষ্টা করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নামাজ বান্দার আমলের মধ্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ স্থান রাখে।
- নামাজের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে মুমিনের মনে যত্ন ও ভয় থাকা উচিত।
- দৈনিক নামাজ ঠিক রাখা অন্য আমলকে গুরুত্ব দেওয়ার পথ সহজ করে।
