৯/২৪. অধ্যায়ঃ
নামায সম্পর্কিত বিবিধ আহ্কাম
কবর পূজা থেকে সতর্কতা ও তাওহীদের শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৪০২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৪০২
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اللهُمَّ لَا تَجْعَلْ قَبْرِي وَثَنًا يُعْبَدُ اشْتَدَّ غَضَبُ اللهِ عَلَى قَوْمٍ اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ.
আতা ইবনু ইয়াসার (র) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে আল্লাহ! আমার কবরকে পূজা মূর্তি বানাইও না। সে সম্প্রদায়ের উপর আল্লাহর ক্ষোভ প্রবল হয়েছে, যে সম্প্রদায় তাদের নবীগণের কবরকে মসজিদ বা সিজদার জায়গা বানিয়ে নিয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে এই হাদীসের অর্থে আরো অনেক বর্ণনা রয়েছে।)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৪০২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো তাওহীদ এবং কবরকে ইবাদতের স্থান বানানো থেকে সতর্ক থাকা। রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দোয়া করেছেন, হে আল্লাহ! আমার কবরকে এমন মূর্তি বানিও না, যার পূজা করা হয়। এরপর তিনি বলেছেন, যারা নিজেদের নবীদের কবরকে মসজিদ বা সিজদার জায়গা বানিয়ে নিয়েছে, তাদের উপর আল্লাহর ক্ষোভ প্রবল হয়েছে। এই বক্তব্যে খুব পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়, ইবাদত একমাত্র আল্লাহর জন্য। সম্মান দেখানো আর ইবাদত করা এক জিনিস নয়। নবীদের ভালোবাসা থাকবে, কিন্তু সেই ভালোবাসা যেন কবরকে পূজার জায়গায় পরিণত না করে। তাই কবর সম্পর্কে ইসলামের সীমা মানা তাওহীদ রক্ষার একটি জরুরি দিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবাদত একমাত্র আল্লাহর জন্য; কবরকে ইবাদতের স্থান বানানো যাবে না।
- নবীদের সম্মান করতে হবে, তবে ইবাদতের সীমা অতিক্রম করা যাবে না।
- তাওহীদ রক্ষায় কবর সম্পর্কিত আচরণে সতর্কতা দরকার।
