৯/২৩. অধ্যায়ঃ
নামাযের বিভিন্ন আমল
কুবায় যাওয়া: নবীজি (সা.)-এর সহজ আমলের বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩৮৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩৮৮
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَأْتِي قُبَاءَ رَاكِبًا وَمَاشِيًا.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পদব্রজে এবং সওয়ার হয়ে কুবা’তে তশরীফ আনতেন। (বুখারী ১১৯৪, মুসলিম ১৩৯৯)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুবায় যেতেন। কখনও তিনি সওয়ার হয়ে যেতেন, কখনও পদব্রজে বা হেঁটে যেতেন। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এর ভেতরে শুধু কুবায় নবীজি (সা.)-এর আগমনের ধরনই স্পষ্টভাবে এসেছে। এখানে হাঁটা ও সওয়ার—দুই অবস্থার কথাই উল্লেখ আছে। তাই এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, কুবায় যাওয়ার ক্ষেত্রে নবীজি (সা.)-এর আমলে সহজতা ছিল। তিনি সব সময় একভাবে যাননি; কখনও হাঁটতেন, কখনও বাহনে যেতেন। এ থেকে আমলের ক্ষেত্রে ভারসাম্য ও সহজতার একটি সুন্দর দিক দেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজি (সা.) কুবায় যেতেন—এটি হাদিসে সরাসরি এসেছে।
- তিনি কখনও হেঁটে, কখনও সওয়ার হয়ে কুবায় যেতেন।
- একই আমলে পরিস্থিতি অনুযায়ী সহজতা থাকতে পারে।
- হাদিসের বর্ণনাকে সংক্ষিপ্ত ও নির্দিষ্টভাবে বোঝা উচিত।
