৯/২১. অধ্যায়ঃ
ইমামকে রুকূতে পেলে কি করবে
রুকূতে ধীরে চলা: নামাজের ভেতর সংযমের শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩৮২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩৮২
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ مَسْعُودٍ كَانَ يَدِبُّ رَاكِعًا .
মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) রুকূতে আস্তে আস্তে হাঁটতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩৮২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) রুকূতে আস্তে আস্তে হাঁটতেন—এ কথা ইমাম মালিক (রঃ)-এর কাছে পৌঁছেছে। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, তাই এখান থেকে বড় কোনো আলাদা বিধান বানানো উচিত নয়। মূল শিক্ষা হলো নামাজের ভেতরের আচরণে সংযম ও ধীরতা। নামাজ শুধু কিছু কাজের নাম নয়; এর প্রতিটি অবস্থায় আদব আছে। রুকূ নামাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই রুকূ অবস্থায় কোনো প্রয়োজনে নড়াচড়া হলে তা তাড়াহুড়া করে নয়, বরং শান্তভাবে হওয়া উচিত—এই অর্থটি বর্ণনা থেকে বোঝা যায়। এখানে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর আমল উল্লেখ হওয়ায় সাহাবিদের নামাজের পদ্ধতির একটি বাস্তব দিক সামনে আসে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নামাজের ভেতরে ধীরতা ও সংযম বজায় রাখা দরকার।
- রুকূ নামাজের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান, তাই এতে আদব রক্ষা করা উচিত।
- সাহাবিদের আমল থেকে নামাজের বাস্তব পদ্ধতি জানা যায়।
- হাদিসের সীমার বাইরে অতিরিক্ত দাবি না করে মূল বর্ণনাকে গুরুত্ব দিতে হবে।
