৯/২১. অধ্যায়ঃ

ইমামকে রুকূতে পেলে কি করবে

রুকূ অবস্থায় কাতারে পৌঁছানো: নামাজের কাতার নিয়ে শিক্ষা

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩৮১

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ أَنَّهُ قَالَ دَخَلَ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ الْمَسْجِدَ فَوَجَدَ النَّاسَ رُكُوعًا فَرَكَعَ ثُمَّ دَبَّ حَتَّى وَصَلَ الصَّفَّ.

আবূ উমামা ইবনু হুনায়ফ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) (একবার) মসজিদে প্রবেশ করলেন এবং লোকজনকে রুকূতে পেলেন। তিনিও রুকূ করলেন, অতঃপর (সে অবস্থায়ই) আস্তে আস্তে চলতে চলতে ‘সফ’ বা কাতার পর্যন্ত পৌঁছলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩৮১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর একটি আমল বর্ণিত হয়েছে। তিনি মসজিদে এসে দেখলেন, লোকজন রুকূতে আছে। তখন তিনিও রুকূ করলেন এবং সেই অবস্থায় আস্তে আস্তে চলতে চলতে কাতার পর্যন্ত পৌঁছালেন। এখানে মূল বিষয় হলো জামাতের নামাজ, রুকূ এবং সফ বা কাতারে পৌঁছানো। হাদিসের ভাষা খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এর বাইরে বাড়তি বিধান টেনে আনা ঠিক হবে না। তবে এতটুকু পরিষ্কার যে সাহাবিরা নামাজের জামাত ও কাতারকে গুরুত্ব দিতেন। নামাজে কাতার ঠিক রাখা এবং ইমামের সঙ্গে নামাজে অংশ নেওয়ার আগ্রহ এই বর্ণনায় দেখা যায়। একই সঙ্গে চলাফেরার ধরনও ছিল ধীর ও সংযত। তাই এই হাদিস আমাদের শেখায়, নামাজের ভেতরে কোনো কাজ হলে তা শান্তভাবে এবং নামাজের মর্যাদা বজায় রেখে হওয়া উচিত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • জামাতের নামাজে কাতার বা সফের গুরুত্ব রয়েছে।
  • রুকূতে থাকা জামাত পেলে সাহাবিদের মধ্যে নামাজে অংশ নেওয়ার আগ্রহ দেখা যায়।
  • নামাজের মধ্যে চলাফেরা হলে তা ধীরে ও সংযতভাবে হওয়া উচিত।
  • হাদিসের ঘটনা থেকে কাতারে পৌঁছানোর বাস্তব একটি দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন