২/১. অধ্যায়ঃ
অযূর পদ্ধতি
ওযূতে কুলি ভুলে গেলে নামায পুনরায় পড়তে হবে কি
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩৮
قَالَ يَحْيَى و سُئِلَ مَالِك عَنْ رَجُلٍ نَسِيَ أَنْ يَتَمَضْمَضَ وَيَسْتَنْثِرَ حَتَّى صَلَّى قَالَ لَيْسَ عَلَيْهِ أَنْ يُعِيدَ صَلَاتَهُ وَلْيُمَضْمِضْ وَيَسْتَنْثِرْ مَا يَسْتَقْبِلُ إِنْ كَانَ يُرِيدُ أَنْ يُصَلِّيَ.
মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ
এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হল, যে ব্যক্তি ভুলবশত কুলি করেনি অথবা নাক পরিষ্কার করেনি, এই অবস্থায় সে নামায আদায় করেছে। উত্তরে তিনি বললেন, সে লোকের পক্ষে নামায পুনরায় আদায় করতে হবে না। সে পরে অন্য নামায আদায়ের ইচ্ছা করলে তবে কুলি করিয়া লইবে এবং নাক পরিষ্কার করবে। [১]
[১] হে মুমিনগণ, যখন তোমরা সালাতের জন্য প্রস্তুত হবে তখন তোমরা তোমাদের মুখমণ্ডল ও হাত কনুই পর্যন্ত ধৌত করবে এবং তোমাদের মাথা মাসেহ করবে এবং পা গ্রন্থি পর্যন্ত ধৌত করবে।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় প্রশ্ন করা হয়েছে এমন ব্যক্তির বিষয়ে, যে ভুলে কুলি করেনি বা নাক পরিষ্কার করেনি, তারপর নামায আদায় করেছে। ইমাম মালিক (র) উত্তরে বলেন, তার নামায পুনরায় পড়তে হবে না। তবে সে যদি পরে আরেক নামায আদায় করতে চায়, তাহলে কুলি করবে এবং নাক পরিষ্কার করবে। এখানে ব্যাখ্যা খুব ভারসাম্যপূর্ণ। ভুল হয়ে যাওয়ার পর আগের নামায বাতিল বলা হয়নি। আবার পরের নামাযের আগে কুলি ও নাক পরিষ্কারকে বাদও দেওয়া হয়নি। তাই এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, ভুল হলে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে সঠিক করণীয় জানতে হবে। ওযূতে কুলি ও নাক পরিষ্কার গুরুত্বপূর্ণ; কিন্তু ভুলে বাদ পড়ে গেলে আগের নামায পুনরায় আদায় করার কথা এখানে বলা হয়নি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুলি বা নাক পরিষ্কার ভুলে গেলে আগের নামায পুনরায় আদায়ের কথা এখানে বলা হয়নি।
- পরের নামাযের আগে কুলি ও নাক পরিষ্কার করে নেওয়ার নির্দেশ এসেছে।
- ভুল হলে আতঙ্ক নয়, সঠিকভাবে সংশোধন জরুরি।
- ওযূর ছোট কাজগুলোতেও যত্ন রাখা উচিত।
