৯/১৮. অধ্যায়ঃ
নামাযের অপেক্ষা করা এবং নামাযের জন্য গমন করা
জায়নামাযে বসে থাকা: ফেরেশতাদের দোয়া ও অপেক্ষার শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩৭১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩৭১
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نُعَيْمِ بْنِ عَبْدِ اللهِ الْمُجْمِرِ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ ثُمَّ جَلَسَ فِي مُصَلَّاهُ لَمْ تَزَلْ الْمَلَائِكَةُ تُصَلِّي عَلَيْهِ اللهُمَّ اغْفِرْ لَهُ اللهُمَّ ارْحَمْهُ فَإِنْ قَامَ مِنْ مُصَلَّاهُ فَجَلَسَ فِي الْمَسْجِدِ يَنْتَظِرُ الصَّلَاةَ لَمْ يَزَلْ فِي صَلَاةٍ حَتَّى يُصَلِّيَ.
নুয়ায়ম ইবনু আবদুল্লাহ (র) হতে বর্ণিতঃ
তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন তোমাদের একজন যখন নামায আদায় করে, তারপর জায়নামাযে বসে থাকে, তবে ফেরেশতারা তার জন্য اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَهُ (হে আল্লাহ! একে ক্ষমা কর) اَللّٰهُمَّ ارْحَمْهُ (হে আল্লাহ! একে দয়া কর) বলে দোআ করতে থাকেন। অতঃপর সে যদি জায়নামায হতে দাঁড়িয়ে যায় কিন্তু নামাযের অপেক্ষায় বসে থাকে, তবে সে যেন নামাযেই রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, এই হাদীসটি বুখারী এবং মুসলিমে মারফু সনদে বর্ণিত হয়েছে)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩৭১-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, তোমাদের কেউ নামায আদায় করে জায়নামাযে বসে থাকলে ফেরেশতারা তার জন্য ক্ষমা ও রহমতের দোয়া করতে থাকেন। দোয়ার ভাষা হলো: হে আল্লাহ, একে ক্ষমা কর; হে আল্লাহ, একে দয়া কর। এরপর বলা হয়েছে, যদি সে জায়নামায থেকে উঠে যায় কিন্তু মসজিদে বসে পরবর্তী নামাযের অপেক্ষা করে, তবে সে যেন নামাযেই রয়েছে। এ হাদিস নামাযের পরের সময়কে মূল্যবান করে তোলে। এখানে মূল কথা শুধু বসে থাকা নয়; নামাযের সাথে যুক্ত থাকা, অপেক্ষা করা এবং মসজিদের পবিত্র পরিবেশে থাকা। এটি মুসল্লিকে তাড়াহুড়া কমিয়ে শান্তভাবে ইবাদতের দিকে মন রাখতে শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নামায শেষে জায়নামাযে বসে থাকলে ফেরেশতারা দোয়া করেন।
- দোয়ার মধ্যে ক্ষমা ও রহমতের আবেদন আছে।
- পরবর্তী নামাযের অপেক্ষায় বসে থাকাকে নামাযের সাথে যুক্ত করা হয়েছে।
- মসজিদে অপেক্ষা করা ইবাদতমুখী সময় হতে পারে।
