৯/১৩. অধ্যায়ঃ
নামাযে হাত দিয়ে কাঁকর সরানো
নামাজে কাঁকর সরানো: একবারের সীমা ও না সরানোর শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩৬০
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩৬০
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ أَبَا ذَرٍّ كَانَ يَقُولُمَسْحُ الْحَصْبَاءِ مَسْحَةً وَاحِدَةً وَتَرْكُهَا خَيْرٌ مِنْ حُمْرِ النَّعَمِ.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) হতে বর্ণিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবূ যর (রাঃ) বলতেন, কাঁকর সরাবার জন্য মাত্র একবার হাত বুলানো যায়। তবে উহা হতে বিরত থাকাটা লাল বর্ণের উট অপেক্ষাও উত্তম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩৬০-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবূ যর (রাঃ)-এর কথা এসেছে। তিনি বলতেন, কাঁকর সরানোর জন্য মাত্র একবার হাত বুলানো যায়। তবে তা থেকে বিরত থাকা লাল বর্ণের উটের চেয়েও উত্তম। এই ভাষা নামাজে মনোযোগের গুরুত্ব বোঝায়। সিজদার জায়গায় কাঁকর থাকলে মানুষ তা সরাতে চাইতে পারে, কিন্তু নামাজের মধ্যে বারবার হাত চালানো মনোযোগ কমিয়ে দিতে পারে। তাই বর্ণনায় একবারের কথা এসেছে এবং না সরানোকে বেশি ভালো বলা হয়েছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, নামাজে অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া কমানো। কাঁকর সরানো যদি প্রয়োজন হয়, তা সীমিত রাখা; আর প্রয়োজন না হলে মনোযোগ ধরে রাখা—এই ভারসাম্য এই বর্ণনায় সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কাঁকর সরালে একবারের মধ্যে সীমিত রাখার কথা এসেছে।
- না সরানোকে বর্ণনায় বেশি ভালো বলা হয়েছে।
- নামাজে মনোযোগ ধরে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
- অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া কমানো নামাজের আদবের অংশ।
