৯/১৩. অধ্যায়ঃ
নামাযে হাত দিয়ে কাঁকর সরানো
সিজদার স্থান থেকে কাঁকর সরানো: ইবনু উমার (রাঃ)-এর হালকা আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩৫৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩৫৯
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ الْقَارِئِ أَنَّهُ قَالَ رَأَيْتُ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ إِذَا أَهْوَى لِيَسْجُدَ مَسَحَ الْحَصْبَاءَ لِمَوْضِعِ جَبْهَتِهِ مَسْحًا خَفِيفًا.
আবূ জাফর কারী’ (র) হতে বর্ণিতঃ
আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে দেখেছি, তিনি সিজদার জন্য যখন নত হতেন, তখন তাঁর কপাল রাখার স্থান হতে খুব হালকাভাবে হাত বুলিয়ে কাঁকর সরাতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩৫৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবূ জা’ফর আল-কারী (র) বলেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে দেখেছেন—তিনি যখন সিজদার জন্য নত হতেন, তখন কপাল রাখার জায়গা থেকে খুব হালকাভাবে হাত বুলিয়ে কাঁকর সরাতেন। হাদিসটি নামাজের একটি ছোট কিন্তু বাস্তব বিষয় শেখায়। সিজদার জায়গায় কাঁকর থাকলে কপাল রাখা কষ্টকর হতে পারে। ইবনু উমার (রাঃ) সেটি খুব হালকাভাবে সরাতেন। এখানে বারবার নাড়াচাড়া, বেশি নড়াচড়া বা নামাজে অমনোযোগী হওয়ার কথা নেই। বরং বর্ণনার শব্দেই আছে—হালকাভাবে। তাই সিজদার স্থান ঠিক করার ক্ষেত্রে পরিমিত আচরণ ও নামাজের মনোযোগ বজায় রাখার শিক্ষা পাওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সিজদার জায়গায় কাঁকর থাকলে হালকাভাবে সরানোর আমল এসেছে।
- নামাজে অপ্রয়োজনীয় বেশি নড়াচড়া এড়িয়ে চলা উচিত।
- ইবনু উমার (রাঃ)-এর আমলে পরিমিতি দেখা যায়।
- সিজদার স্থান ঠিক করা নামাজের আরামের সঙ্গে জড়িত।
