৯/১২. অধ্যায়ঃ
সফরে মুসল্লি কর্তৃক সুতরা বা আড় ব্যবহার
নামাজে সুতরা: ইবনু উমার (রাঃ) ও উরওয়া (র)-এর আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩৫৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩৫৮
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَسْتَتِرُ بِرَاحِلَتِهِ إِذَا صَلَّى ৪৭و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ أَنَّ أَبَاهُ كَانَ يُصَلِّي فِي الصَّحْرَاءِ إِلَى غَيْرِ سُتْرَةٍ.
মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) উটের পিঠের হাড় দ্বারা সুতরা করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি সুতরা সামনে না করে মরুভূমিতে নামায আদায় করতেন। (কারণ সেখানে লোকজনের চলাচল তেমন ছিল না।) (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩৫৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় নামাজে সুতরার ব্যবহার নিয়ে দুই ধরনের আমল এসেছে। প্রথমে বলা হয়েছে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) নামাজ পড়ার সময় উটের পিঠের হাড়কে সুতরা হিসেবে ব্যবহার করতেন। অর্থাৎ সামনে একটি চিহ্ন বা আড়াল রাখতেন। এরপর হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি মরুভূমিতে সুতরা সামনে না করে নামাজ পড়তেন। অনুবাদে কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, সেখানে লোকজনের চলাচল তেমন ছিল না। এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, সুতরা নামাজের আদবের সঙ্গে জড়িত, বিশেষ করে যেখানে সামনে দিয়ে চলাচলের আশঙ্কা থাকে। আবার নির্জন জায়গায় ভিন্ন আমলও দেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবনু উমার (রাঃ) সুতরা ব্যবহার করতেন।
- সুতরা সামনে দিয়ে চলাচল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।
- মরুভূমিতে লোক চলাচল কম হলে সুতরা ছাড়া নামাজের আমলও বর্ণিত হয়েছে।
- নামাজের পরিবেশ অনুযায়ী সতর্কতা রাখা দরকার।
