৯/১১. অধ্যায়ঃ
মুসল্লির সামনে দিয়ে চলার অনুমতি
জামাতে শামিল হতে কাতারের মাঝ দিয়ে যাওয়া: প্রয়োজনের অবস্থার শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩৫৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩৫৬
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ كَانَ يَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْ بَعْضِ الصُّفُوفِ وَالصَّلَاةُ قَائِمَةٌ قَالَ مَالِك وَأَنَا أَرَى ذَلِكَ وَاسِعًا إِذَا أُقِيمَتْ الصَّلَاةُ وَبَعْدَ أَنْ يُحْرِمَ الْإِمَامُ وَلَمْ يَجِدْ الْمَرْءُ مَدْخَلًا إِلَى الْمَسْجِدِ إِلَّا بَيْنَ الصُّفُوفِ.
মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, নামায কায়েম আছে, এমন অবস্থায় সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) কোন কোন সময় কাতারের মাঝ দিয়ে চলাচল করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যদি নামায আদায় হয়ে যায় এবং ইমাম নিয়ত করে ফেলেন, তখন কোন ব্যক্তি কাতারের মাঝ দিয়ে ব্যতীত অন্য কোন রাস্তায় মসজিদে প্রবেশ করতে (নামাযে শামিল হওয়ার জন্য) না পড়লে, তার জন্য এ ব্যাপারে (কাতারের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করার) অবকাশ আছে বলে আমি মনে করি।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩৫৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় এসেছে, সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) কখনও নামাজ চলা অবস্থায় কাতারের মাঝ দিয়ে চলাচল করতেন। এরপর ইমাম মালিক (র) বলেন, নামাজ কায়েম হয়ে গেলে এবং ইমাম তাকবির দিয়ে নামাজ শুরু করলে, যদি কেউ মসজিদে ঢোকার জন্য কাতারের মাঝ দিয়ে ছাড়া অন্য পথ না পায়, তবে তার জন্য এ বিষয়ে অবকাশ আছে বলে তিনি মনে করেন। এই হাদিসে মুসল্লির সামনে দিয়ে অযথা চলার অনুমতি নয়; বরং প্রয়োজনের অবস্থায় জামাতে শামিল হওয়ার পথ নিয়ে আলোচনা এসেছে। তাই বিষয়টি সতর্কভাবে বুঝতে হবে। কাতারের মাঝ দিয়ে চলা সাধারণ অভ্যাস নয়, কিন্তু পথ না থাকলে নামাজে শামিল হওয়ার জন্য কিছু অবকাশের কথা এখানে বলা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নামাজ শুরু হলে জামাতে শামিল হওয়ার চেষ্টা করা যায়।
- পথ না থাকলে কাতারের মাঝ দিয়ে প্রবেশের অবকাশের কথা ইমাম মালিক (র) বলেছেন।
- অযথা চলাচল ও প্রয়োজনের চলাচল এক নয়।
- নামাজের কাতার ও মুসল্লির আদব দুটিই বিবেচনা করতে হয়।
