৯/১০. অধ্যায়ঃ
মুসল্লিদের সম্মুখ দিয়ে কারো চলার ব্যাপারে কড়া নিষেধাজ্ঞা
ইবনু উমার (রাঃ)-এর সতর্কতা: মুসল্লির সামনে দিয়ে না চলা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩৫৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩৫৪
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ لَا يَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْ أَحَدٍ وَلَا يَدَعُ أَحَدًا يَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْهِ.
নাফি’ (র) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) (তিনি নিজে) করো সামনে দিয়ে চলাচল করতেন না এবং অন্য কাউকে তাঁর সামনে দিয়ে চলতে দিতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩৫৪-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় নাফি (র) জানান, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) কারও সামনে দিয়ে চলাচল করতেন না এবং অন্য কাউকে তাঁর সামনে দিয়ে চলতে দিতেন না। এটি খুব ছোট কিন্তু শক্তিশালী একটি আমলভিত্তিক বর্ণনা। মুসল্লির সামনে দিয়ে চলার বিষয়ে আগে নবীজি صلى الله عليه وسلم-এর হাদিসে সতর্কতা এসেছে; এখানে ইবনু উমার (রাঃ)-এর ব্যক্তিগত আমল সেই সতর্কতাকে বাস্তব জীবনে দেখায়। তিনি নিজে অন্যের নামাজের আদব রক্ষা করতেন, আবার নিজের নামাজের সামনে দিয়েও কাউকে চলতে দিতেন না। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, নামাজের সময় মনোযোগ, সম্মান ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা সাহাবিদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নিজে অন্য মুসল্লির সামনে দিয়ে না যাওয়া ভালো আদব।
- নিজের নামাজের সামনে দিয়ে কাউকে যেতে না দেওয়া সতর্কতার অংশ।
- ইবনু উমার (রাঃ)-এর আমল নামাজের সম্মান শেখায়।
- নামাজে মনোযোগ রক্ষায় পরিবেশেরও ভূমিকা আছে।
