৯/১০. অধ্যায়ঃ
মুসল্লিদের সম্মুখ দিয়ে কারো চলার ব্যাপারে কড়া নিষেধাজ্ঞা
নারীদের নামাজের সামনে দিয়ে চলা: ইবনু উমার (রাঃ)-এর সতর্কতা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩৫৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩৫৩
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَكْرَهُ أَنْ يَمُرَّ بَيْنَ أَيْدِي النِّسَاءِ وَهُنَّ يُصَلِّينَ.
মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, মেয়েরা যখন নামায আদায় করে তখন তাদের সামনে দিয়ে চলাকে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) অপছন্দ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩৫৩-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় এসেছে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) নারীরা যখন নামাজ আদায় করতেন, তখন তাঁদের সামনে দিয়ে চলাকে অপছন্দ করতেন। এখানে একটি বিষয়ে সতর্ক থাকা দরকার: বাংলা অনুবাদের শুরুতে অপছন্দ করতেন না লেখা থাকলেও আরবি বাক্যে কানা ইয়াকরাহু এসেছে, যার অর্থ অপছন্দ করতেন। তাই মূল বক্তব্য হিসেবে সতর্কতার অর্থই স্পষ্ট। এই বর্ণনা মুসল্লির সামনে দিয়ে চলার সাধারণ আদবের সঙ্গে মিল রাখে। নারী হোক বা পুরুষ—কেউ যখন নামাজে দাঁড়ায়, তার সামনে দিয়ে অযথা চলাচল করা ভালো আচরণ নয়। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, তাই এখান থেকে অতিরিক্ত কোনো বিধান বানানো উচিত নয়; বরং নামাজের সম্মান ও সতর্কতার শিক্ষা নেওয়া উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নামাজরত নারীর সামনে দিয়ে চলার বিষয়েও সতর্কতা রাখা উচিত।
- ইবনু উমার (রাঃ)-এর আমলে নামাজের আদবের গুরুত্ব দেখা যায়।
- মুসল্লির সামনে দিয়ে চলা অযথা করা ঠিক নয়।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা থেকে অতিরিক্ত দাবি করা উচিত নয়।
