৯/১০. অধ্যায়ঃ
মুসল্লিদের সম্মুখ দিয়ে কারো চলার ব্যাপারে কড়া নিষেধাজ্ঞা
মুসল্লির সামনে দিয়ে চলা: কা’ব আহবার (র)-এর সতর্ক বাণী
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩৫২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩৫২
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ أَنَّ كَعْبَ الْأَحْبَارِ قَالَ لَوْ يَعْلَمُ الْمَارُّ بَيْنَ يَدَيْ الْمُصَلِّي مَاذَا عَلَيْهِ لَكَانَ أَنْ يُخْسَفَ بِهِ خَيْرًا لَهُ مِنْ أَنْ يَمُرَّ بَيْنَ يَدَيْهِ.
আতা ইবনু ইয়াসার (র) হতে বর্ণিতঃ
কা’ব-এ আহ্বার (র) বলেছেন, মুসল্লির সামনে দিয়ে চলাচলকারী যদি জানত যে, তার পরিণাম কি, তবে সামনে দিয়ে হেঁটে যাওয়ার চাইতে মাটিতে বসে যাওয়া তার পক্ষে উত্তম হত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩৫২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় কা’ব আহবার (র) বলেন, মুসল্লির সামনে দিয়ে চলাচলকারী যদি জানত তার পরিণাম কী, তবে সামনে দিয়ে যাওয়ার বদলে মাটিতে বসে যাওয়াকেই নিজের জন্য ভালো মনে করত। এটি নবীজি صلى الله عليه وسلم-এর সরাসরি উক্তি নয়, বরং কা’ব আহবার (র)-এর বক্তব্য হিসেবে এসেছে। তাই ব্যাখ্যায় সেটি আলাদা করে বোঝা দরকার। তবুও বর্ণনাটি মুসল্লির সামনে দিয়ে চলার বিষয়ে সতর্কতার মানসিকতা তুলে ধরে। নামাজ একটি মনোযোগপূর্ণ ইবাদত। কেউ যখন নামাজে দাঁড়ায়, তার সামনে দিয়ে হেঁটে যাওয়া তার মনোযোগে বাধা দিতে পারে। তাই নামাজরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে না যাওয়া এবং অপেক্ষা করা একটি সুন্দর আদব।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুসল্লির সামনে দিয়ে চলার বিষয়ে পূর্বসূরিদের মধ্যে সতর্কতা ছিল।
- নামাজরত ব্যক্তির মনোযোগ রক্ষা করা অন্যদের দায়িত্বের অংশ।
- এই বর্ণনাটি কা’ব আহবার (র)-এর বক্তব্য হিসেবে এসেছে।
- সামনে দিয়ে যাওয়ার বদলে অপেক্ষা করা নিরাপদ ও ভদ্র আচরণ।
