২/১. অধ্যায়ঃ
অযূর পদ্ধতি
এক আজলা পানিতে কুলি ও নাক পরিষ্কারের নিয়ম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩৪
قَالَ يَحْيَى سَمِعْت قَوْله تَعَالَى يَقُولُ فِي الرَّجُلِ يَتَمَضْمَضُ وَيَسْتَنْثِرُ مِنْ غَرْفَةٍ وَاحِدَةٍ إِنَّهُ لَا بَأْسَ بِذَلِكَ.
ইয়াহইয়া (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি, এক আজলা পানি দ্বারা যে কুলিও করে এবং নাকও পরিষ্কার করে, তার এইরূপ করাতে কোন ক্ষতি নাই। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩৪-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় ইমাম মালিক (র)-এর একটি সহজ মাসআলা এসেছে। তিনি বলেছেন, কেউ যদি এক আজলা পানি দিয়ে কুলি করে এবং একই পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করে, এতে কোনো ক্ষতি নেই। এখানে মূল বিষয় হলো ওযূতে কুলি ও নাক পরিষ্কার করার ব্যবহারিক দিক। অনেক সময় মানুষ ভাবতে পারে, কুলি ও নাকের জন্য আলাদা আলাদা পানি নেওয়া জরুরি কি না। এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, এক আজলা পানি দিয়ে দুটো কাজ করা হলে তাতে সমস্যা নেই। তবে এ কথাকে ওযূর সব নিয়ম বদলে দেওয়ার মতো করে বুঝতে হবে না। বরং এটি একটি ব্যবহারিক সহজতা। ওযূর সময় পানি অপচয় না করে, পরিচ্ছন্নতা ঠিক রেখে কাজ করা—এটাই এখানে বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এক আজলা পানি দিয়ে কুলি ও নাক পরিষ্কার করা বৈধ হিসেবে উল্লেখ হয়েছে।
- ওযূতে পরিচ্ছন্নতা ঠিক থাকলে পানির ব্যবহার সহজভাবে করা যায়।
- ওযূর ছোট মাসআলাতেও আলেমদের ব্যাখ্যা প্রয়োজন হতে পারে।
- পানি ব্যবহারে অযথা কষ্ট বা বাড়াবাড়ি না করাই ভালো।
