৯/৭. অধ্যায়ঃ
সওয়ারীর উপর নামায আদায় করা এবং সফরে দিনে ও রাত্রিতে নফল আদায় করা
সফরে ফরযের আগে-পরে নফল ও রাতের নামাজের বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩৩৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩৩৯
ي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ لَمْ يَكُنْ يُصَلِّي مَعَ صَلَاةِ الْفَرِيضَةِ فِي السَّفَرِ شَيْئًا قَبْلَهَا وَلَا بَعْدَهَا إِلَّا مِنْ جَوْفِ اللَّيْلِ فَإِنَّهُ كَانَ يُصَلِّي عَلَى الْأَرْضِ وَعَلَى رَاحِلَتِهِ حَيْثُ تَوَجَّهَتْ.
নাফি’ (র) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সফরে ফরয নামাযের সাথে অন্য কোন নামায আদায় করতেন না, আগেও না, পরেও না। অবশ্য তিনি মধ্যরাত্রে মৃত্তিকার উপর নামায আদায় করতেন, আর আদায় করতেন তাঁর উটের হাওদার উপর, উট যে দিকেই মুখ করে থাকুক না কেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩৩৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নাফি (র) আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর সফরের নামাজ সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন। তিনি সফরে ফরয নামাজের সাথে আগে বা পরে অন্য কোনো নামাজ আদায় করতেন না। তবে মধ্যরাতে তিনি মাটির উপর নামাজ আদায় করতেন। আবার তাঁর উটের হাওদার উপরও নামাজ পড়তেন, উট যে দিকেই মুখ করে থাকুক না কেন। এই হাদিসের মূল বিষয় হলো সফরে নফল নামাজ এবং ফরয নামাজের আগে-পরে অতিরিক্ত নামাজ না পড়া। এখানে ফরযের আগে-পরে নফল না পড়ার কথা এসেছে, কিন্তু রাতের নফল ও সওয়ারীতে নফল পড়ার কথাও স্পষ্টভাবে এসেছে। তাই এই বর্ণনা সফরে নামাজের বাস্তব আমল বুঝতে সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবনু উমার (রাঃ) সফরে ফরযের আগে-পরে নফল পড়তেন না।
- তিনি মধ্যরাতে মাটির উপর নফল নামাজ পড়তেন।
- সওয়ারীতে উটের মুখ যেদিকে থাকত, সেদিকেই নফল পড়ার বর্ণনা এসেছে।
