২/১. অধ্যায়ঃ
অযূর পদ্ধতি
ওযূতে নাক পরিষ্কার করার হাদিস
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩৩
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلَانِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ تَوَضَّأَ فَلْيَسْتَنْثِرْ وَمَنْ اسْتَجْمَرَ فَلْيُوتِرْ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ওযূ করে সে যেন নাক পরিষ্কার করে আর যে কুলুখ নেয় সে বেজোড় নেবে। (বুখারী ১৬১, মুসলিম ২৩৭)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের বিষয়েরই সংক্ষিপ্ত রূপ এসেছে। রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ওযূ করে সে যেন নাক পরিষ্কার করে, আর যে কুলুখ নেয় সে যেন বেজোড় নেয়। এর ভাষা ছোট, কিন্তু আমল খুব নিয়মিত। একজন মুসলিম দিনে বহুবার ওযূ করে। তাই নাক পরিষ্কার করার মতো কাজও ইবাদতের প্রস্তুতির অংশ হয়ে যায়। একইভাবে কুলুখ বা পরিষ্কার হওয়ার ক্ষেত্রে বেজোড় সংখ্যা রাখার নির্দেশ এসেছে। হাদিস থেকে বোঝা যায়, শরীরের পবিত্রতা শুধু বড় বিষয়ে সীমাবদ্ধ নয়; ছোট কাজেও নবীজির শিক্ষা আছে। তাই ওযূর সময় নাক পরিষ্কার করা এবং পবিত্রতার সময় বেজোড় সংখ্যা রাখাকে হালকা মনে করা উচিত নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ওযূর সময় নাক পরিষ্কার করার নির্দেশ সরাসরি এসেছে।
- কুলুখ ব্যবহার করলে বেজোড় সংখ্যা রাখা নববী শিক্ষা।
- ছোট মনে হওয়া পরিচ্ছন্নতার কাজও ইবাদতের প্রস্তুতির অংশ।
- ওযূতে নিয়ম মেনে চলা নামাযের প্রস্তুতিকে সুন্দর করে।
