৯/৩. অধ্যায়ঃ
কত দূরের সফরে নামায কসর আদায় করা ওয়াজিব হয়
যাতুন-নুসুব সফরে কসর নামাজের বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩২৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩২৯
حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللهِ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ رَكِبَ إِلَى ذَاتِ النُّصُبِ فَقَصَرَ الصَّلَاةَ فِي مَسِيرِهِ ذَلِكَ قَالَ مَالِك وَبَيْنَ ذَاتِ النُّصُبِ وَالْمَدِينَةِ أَرْبَعَةُ بُرُدٍ.
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সওয়ার হয়ে ‘যাতুন-নুসুব নামক স্থানের দিকে গমন করলেন। তিনি তাঁর এই পরিমাণ যাত্রায় নামায ‘কসর’ আদায় করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, ‘যাতুন-নুসুব’ ও মদীনার ও মদীনার মধ্যে ব্যবধান হল চার বরীদ।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩২৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নাফি (র) সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সওয়ার হয়ে যাতুন-নুসুব নামক স্থানের দিকে গমন করেন এবং সেই পরিমাণ যাত্রায় নামাজ কসর আদায় করেন। ইয়াহইয়া (র) বলেন, ইমাম মালিক (র)-এর মতে যাতুন-নুসুব ও মদীনার মধ্যে ব্যবধান চার বরীদ। তাই এই বর্ণনার মূল বিষয় হলো কসর নামাজের দূরত্ব। এখানে একটি বাস্তব সফর, একটি নির্দিষ্ট স্থান এবং দূরত্বের উল্লেখ এসেছে। যারা মুসাফিরের নামাজ, সফরের নামাজ বা চার বরীদ দূরত্ব সম্পর্কে জানতে চান, তাদের জন্য হাদিসটি গুরুত্বপূর্ণ। তবে হাদিসে শুধু এই নির্দিষ্ট সফরের ঘটনা এসেছে; তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত শর্ত যোগ করা হয়নি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবনু উমার (রাঃ) যাতুন-নুসুব সফরে নামাজ কসর করেছেন।
- যাতুন-নুসুব ও মদীনার দূরত্ব চার বরীদ বলা হয়েছে।
- কসর নামাজের ক্ষেত্রে সফরদূরত্বের আলোচনা বর্ণনায় স্পষ্ট।
