৯/৩. অধ্যায়ঃ

কত দূরের সফরে নামায কসর আদায় করা ওয়াজিব হয়

রীম পর্যন্ত সফরে কসর নামাজ আদায়ের বর্ণনা

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩২৮

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللهِ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ رَكِبَ إِلَى رِيمٍ فَقَصَرَ الصَّلَاةَ فِي مَسِيرِهِ ذَلِكَ قَالَ مَالِك وَذَلِكَ نَحْوٌ مِنْ أَرْبَعَةِ بُرُدٍ.

সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) হতে বর্ণিতঃ

তাঁর পিতা সওয়ারীতে আরোহণ করে ‘রীম’ [১] নামক স্থানে যান এবং তিনি এতটুকু পথ ভ্রমণে নামায কসর আদায় করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)ইয়াহইয়া (র) বলেন মালিক (র) বলেছেন, উক্ত স্থানটির দূরত্ব অন্তত চার বরীদ [২] হবে।

[১] রীম - মদীনা শরীফ হতে উক্ত জায়গাটির দূরত্ব ত্রিশ মাইল।[২] এক বরীদ অন্তত বার (১২) মাইল দূরের পথ।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩২৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) তাঁর পিতার ঘটনা বর্ণনা করেছেন। তাঁর পিতা আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সওয়ারীতে আরোহণ করে রীম নামক স্থানে যান এবং এই পরিমাণ পথ ভ্রমণে নামাজ কসর আদায় করেন। বর্ণনার শেষে ইয়াহইয়া (র) বলেন, ইমাম মালিক (র)-এর মতে, উক্ত স্থানের দূরত্ব অন্তত চার বরীদ হবে। তাই এখানে মূল বিষয় হলো কসর নামাজের দূরত্ব এবং সফরে নামাজ সংক্ষিপ্ত করা। এই হাদিসে একটি নির্দিষ্ট স্থান ও দূরত্বের কথা এসেছে। তাই যারা জানতে চান, কত দূরত্বে মুসাফিরের নামাজ কসর হয়, তাঁদের জন্য এই বর্ণনা প্রাসঙ্গিক। তবে হাদিসে শুধু রীম সফরের ঘটনাই বলা হয়েছে; অন্য সব দূরত্বের সিদ্ধান্ত এখানে সরাসরি নেই।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ইবনু উমার (রাঃ) রীম পর্যন্ত সফরে নামাজ কসর করেছিলেন।
  • ইমাম মালিক (র) এ দূরত্বকে প্রায় চার বরীদ বলেছেন।
  • কসর নামাজের আলোচনায় নির্দিষ্ট সফরদূরত্বের বর্ণনা গুরুত্ব পায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন