৯/২. অধ্যায়ঃ
সফরে নামায ‘কসর’ আদায় করা
সফরের নামাজ দুই রাকআত: আয়েশা (রাঃ)-এর বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩২৫
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩২৫
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهَا قَالَتْ فُرِضَتْ الصَّلَاةُ رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ فِي الْحَضَرِ وَالسَّفَرِ فَأُقِرَّتْ صَلَاةُ السَّفَرِ وَزِيدَ فِي صَلَاةِ الْحَضَرِ.
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
সফরে এবং হাযরে (মুকীম থাকাকালীন) দুই-দুই রাক’আতই ফরয করা হয়, অতঃপর সফরের নামায পূর্বাবস্থায় বাকি রাখা হয়, আবাসের নামাযে বৃদ্ধি করা হয়। (বুখারী ৩৫০, মুসলিম ৬৮৫)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩২৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়েশা (রাঃ) নামাজের রাকআত সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, সফর ও হাযর বা মুকীম অবস্থায় প্রথমে নামাজ দুই দুই রাকআত ফরয করা হয়েছিল। পরে সফরের নামাজ পূর্বাবস্থায় রাখা হয়, আর আবাসের নামাজে বৃদ্ধি করা হয়। তাই এই হাদিসের মূল বিষয় হলো সফরের নামাজ দুই রাকআত এবং মুকীম অবস্থার নামাজের পার্থক্য। যারা কসর নামাজ, মুসাফিরের নামাজ বা সফরে ফরয নামাজ কত রাকআত—এসব জানতে চান, তাঁদের জন্য এই বর্ণনাটি খুব প্রাসঙ্গিক। এখানে শুধু সেই কথাই বলা হয়েছে যা আয়েশা (রাঃ) বলেছেন; অতিরিক্ত শর্ত বা দূরত্বের আলোচনা এই নির্দিষ্ট হাদিসে নেই।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আয়েশা (রাঃ)-এর বর্ণনায় সফরের নামাজ দুই রাকআত হিসেবে রাখা হয়েছে।
- মুকীম অবস্থার নামাজে পরে বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে উল্লেখ আছে।
- কসর নামাজের ভিত্তি বোঝার জন্য এই হাদিসটি গুরুত্বপূর্ণ।
