২/১. অধ্যায়ঃ
অযূর পদ্ধতি
ওযূতে নাক পরিষ্কার করা ও বেজোড় কুলুখের নিয়ম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩২
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا تَوَضَّأَ أَحَدُكُمْ فَلْيَجْعَلْ فِي أَنْفِهِ مَاءً ثُمَّ لِيَنْثِرْ وَمَنْ اسْتَجْمَرَ فَلْيُوتِرْ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের কেউ যখন ওযূ করে, তখন সে যেন তার নাকে পানি দেয়, তারপর নাক পরিষ্কার করে, আর যে কুলুখ গ্রহণ করে সে যেন বেজোড় কুলুখ নেয়। (বুখারী ১৬২, মুসলিম ২৩৭)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ওযূর সময় নাকে পানি দেওয়া এবং নাক পরিষ্কার করার নির্দেশ এসেছে। রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন ওযূ করে, সে যেন নাকে পানি দেয়, তারপর নাক পরিষ্কার করে। একই সঙ্গে কুলুখ বা পাথর/ঢেলা ব্যবহার করে পবিত্রতা অর্জনের ক্ষেত্রে বেজোড় সংখ্যা গ্রহণের কথা এসেছে। এখানে পরিচ্ছন্নতার দুই দিক দেখা যায়। একদিকে ওযূতে নাক পরিষ্কার রাখা, অন্যদিকে পায়খানা-পেশাবের পর পবিত্রতা অর্জনে বেজোড় সংখ্যা রাখা। হাদিসটি ছোট হলেও দৈনন্দিন আমলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। ওযূ শুধু পানি লাগানোর কাজ নয়; মুখ, নাক ও শরীরের পবিত্রতার দিকেও এতে যত্ন আছে। তাই ওযূ করার সময় নাকের অংশ ভুলে যাওয়া ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ওযূ করার সময় নাকে পানি দেওয়া ও নাক পরিষ্কার করা গুরুত্বপূর্ণ আদব।
- পবিত্রতা অর্জনে কুলুখ ব্যবহার করলে বেজোড় সংখ্যা রাখা নির্দেশিত হয়েছে।
- ইসলামে পরিচ্ছন্নতা ছোট ছোট কাজের মধ্যেও শেখানো হয়েছে।
- ওযূর সময় তাড়াহুড়া না করে প্রতিটি অংশে খেয়াল রাখা দরকার।
