৮/১০. অধ্যায়ঃ
মেয়েদের জন্য জামা ও ওড়না পরিধান করে নামায আদায়ের অনুমতি
নারীর নামাজে জামা ও সরবন্দ: মায়মূনা (রাঃ)-এর আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৩১৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৩১৬
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ الثِّقَةِ عِنْدَهُ عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ الْأَشَجِّ عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ الْأَسْوَدِ الْخَوْلَانِيِّ وَكَانَ فِي حَجْرِ مَيْمُونَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ مَيْمُونَةَ كَانَتْ تُصَلِّي فِي الدِّرْعِ وَالْخِمَارِ لَيْسَ عَلَيْهَا إِزَارٌ.
মায়মূনা (রাঃ)-এর পালক সন্তান উবায়দুল্লাহ খাওলানী (র) হতে বর্ণিতঃ
মায়মূনা (রাঃ) জামা ও সরবন্দ পরিধান করে নামায আদায় করতেন। অথচ তাঁর গায়ে ইযার থাকত না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৩১৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় এসেছে, মায়মূনা (রাঃ) জামা ও সরবন্দ পরে নামাজ আদায় করতেন, অথচ তাঁর গায়ে ইযার থাকত না। অর্থাৎ এখানে নারীর নামাজের পোশাকের একটি বাস্তব আমল তুলে ধরা হয়েছে। বর্ণনায় জামা ও সরবন্দের কথা আছে, কিন্তু ইযার না থাকার কথাও স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। তাই ব্যাখ্যায় বলা যায়, যদি জামা যথেষ্ট হয় এবং পোশাক শালীনভাবে ঢেকে রাখে, তবে জামা ও সরবন্দ পরার দৃষ্টান্ত এখানে পাওয়া যায়। তবে হাদিসে জামার দৈর্ঘ্য বা বিস্তারিত শর্ত আলাদা করে বলা হয়নি। তাই এই বর্ণনাকে সীমার মধ্যে বুঝতে হবে এবং নামাজে ঢেকে রাখার মূল শিক্ষাকে সামনে রাখতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মায়মূনা (রাঃ) জামা ও সরবন্দ পরে নামাজ পড়তেন।
- বর্ণনায় বলা হয়েছে, তাঁর গায়ে ইযার থাকত না।
- নারীর নামাজের পোশাকে ঢেকে রাখার বিষয়টি গুরুত্ব রাখে।
- হাদিসে যা বলা হয়েছে, তার বাইরে বাড়তি দাবি করা ঠিক নয়।
