৭/৪. অধ্যায়ঃ
ফজর-এর (সুবহে সাদিক) পর বিতর আদায় করা
ফজরের ইকামত থামিয়ে আগে বিতর আদায়ের ঘটনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ২৭২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ২৭২
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ قَالَ كَانَ عُبَادَةُ بْنُ الصَّامِتِ يَؤُمُّ قَوْمًا فَخَرَجَ يَوْمًا إِلَى الصُّبْحِ فَأَقَامَ الْمُؤَذِّنُ صَلَاةَ الصُّبْحِ فَأَسْكَتَهُ عُبَادَةُ حَتَّى أَوْتَرَ ثُمَّ صَلَّى بِهِمْ الصُّبْحَ.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) হতে বর্ণিতঃ
উবাদা ইবনু সামিত (র) এক সম্প্রদায়ের ইমামতি করতেন। একদিন ফজর আদায়ের জন্য গেলেন, তখন মুয়াযযিন ফজরের নামায-এর ইকামত বলতে শুরু করলেন, উবাদা তাকে বিরত করলেন, অতঃপর (প্রথমে) বিতর নামায আদায় করলেন। (তারপর) তাদের ফজরের নামায আদায় করালেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২৭২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় উবাদা ইবনু সামিত (র)-এর একটি ঘটনা এসেছে। তিনি এক সম্প্রদায়ের ইমামতি করতেন। একদিন ফজরের নামায পড়াতে বের হলে মুয়াযযিন ইকামত বলতে শুরু করেন। উবাদা তাকে থামিয়ে দেন। এরপর তিনি আগে বিতর নামায আদায় করেন, তারপর লোকদের ফজরের নামায পড়ান। এই হাদিসে বিতর নামাযের গুরুত্ব, ফজরের নামাযের আগে বিতর এবং ইমামের ব্যক্তিগত আমল—এসব বিষয় এসেছে। তবে ঘটনাটি নির্দিষ্ট একটি পরিস্থিতি। তাই সব অবস্থায় ইকামত থামানোর সাধারণ নির্দেশ হিসেবে বলা ঠিক নয়। হাদিসের ভাষায় যা আছে তা হলো, উবাদা (র) আগে বিতর আদায় করে পরে ফজর পড়িয়েছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উবাদা (র) ফজরের আগে বিতর আদায়কে গুরুত্ব দিয়েছেন।
- ইকামত শুরু হলেও তিনি আগে বিতর আদায় করেন।
- ঘটনাটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতির বর্ণনা, সাধারণ নির্দেশ নয়।
- ইমামের আমল ও জামাতের সময়ের বিষয় সতর্কভাবে বুঝতে হয়।
