৭/৩. অধ্যায়ঃ
বিতর (নামায)-এর নির্দেশ
মাগরিব দিনের বিতর এবং রাতে জাগলে নামাযের নিয়ম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ২৬৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ২৬৮
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ دِينَارٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُولُ صَلَاةُ الْمَغْرِبِ وِتْرُ صَلَاةِ النَّهَارِ ৪قَالَ مَالِك مَنْ أَوْتَرَ أَوَّلَ اللَّيْلِ ثُمَّ نَامَ ثُمَّ قَامَ فَبَدَا لَهُ أَنْ يُصَلِّيَ فَلْيُصَلِّ مَثْنَى مَثْنَى فَهُوَ أَحَبُّ مَا سَمِعْتُ إِلَيَّ.
আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (র) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, মাগরিবের নামায হল দিনের বিতর। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেছেন, যে ব্যক্তি রাত্রের প্রথমভাগে বিতর আদায় করে ঘুমিয়েছেন, অতঃপর জেগেছেন, তখন তাঁর নামায পড়বার ইচ্ছা হল। তবে তিনি দুই দুই রাক’আত করে আদায় করবেন। আমি (এই নামায সম্বন্ধে) যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই আমার পছন্দনীয়।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, মাগরিবের নামায দিনের বিতর। অর্থাৎ মাগরিবের নামায তিন রাকআত হওয়ায় তিনি একে দিনের বিতর হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এরপর ইমাম মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি রাতের প্রথম ভাগে বিতর পড়ে ঘুমিয়েছে, পরে জেগে আরও নামায পড়তে চাইলে সে দুই দুই রাকআত করে পড়বে। তিনি এটিকে তাঁর শোনা কথার মধ্যে পছন্দনীয় বলেছেন। এখানে মাগরিব নামায, দিনের বিতর, রাতের প্রথম ভাগে বিতর এবং জেগে ওঠার পর নফল নামায—এসব বিষয় স্পষ্টভাবে এসেছে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, আগে বিতর পড়ে ফেললেও পরে জাগলে দুই রাকআত করে নফল পড়ার সুযোগ বর্ণিত আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবনে উমার (রাঃ) মাগরিবকে দিনের বিতর বলেছেন।
- রাতের শুরুতে বিতর পড়ে ঘুমালে পরে জেগে নফল পড়া যায়।
- পরে পড়া নফল দুই দুই রাকআত করে আদায়ের কথা এসেছে।
- ইমাম মালিক (র) তাঁর শোনা আমলের মধ্যে এটিকে পছন্দ করেছেন।
