৭/৩. অধ্যায়ঃ
বিতর (নামায)-এর নির্দেশ
সালাতুল লাইলের নিয়ম: দুই রাকআত করে ও শেষে বিতর
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ২৫৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ২৫৯
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ وَعَبْدِ اللهِ بْنِ دِينَارٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ صَلَاةِ اللَّيْلِ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةُ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى فَإِذَا خَشِيَ أَحَدُكُمْ الصُّبْحَ صَلَّى رَكْعَةً وَاحِدَةً تُوتِرُ لَهُ مَا قَدْ صَلَّى.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সালাতুল লায়ল (তাহাজ্জুদের নামায) সম্বন্ধে প্রশ্ন করলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম নির্দেশ দিয়েছেন ‘সালাতুল-লায়ল’ দুই-দুই রাক’আত। অতঃপর যদি প্রভাত হওয়ার আশংকা হয় তবে এক রাক’আত আদায় করবে, এটা আদায়কৃত নামাযগুলোকে তার জন্য বিতর-এ (বিজোড়) পরিণত করবে। (বুখারী ৯৯১, মুসলিম ৭৪৯)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২৫৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সালাতুল লাইল বা রাতের নামাজ সম্পর্কে প্রশ্ন করেন। নবীজি বলেন, রাতের নামাজ দুই-দুই রাকআত। এরপর যদি কারও প্রভাত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হয়, সে এক রাকআত আদায় করবে। সেই এক রাকআত তার আগে পড়া নামাজগুলোকে বিতর বা বিজোড় করে দেবে। এই হাদিস রাতের নফল নামাজের পদ্ধতি বোঝার জন্য খুব সহজ ও গুরুত্বপূর্ণ। এখানে দীর্ঘ ব্যাখ্যা নয়; সরাসরি নিয়ম এসেছে—দুই রাকআত করে পড়া, আর সময় শেষ হয়ে আসলে এক রাকআত বিতর করা। তাই তাহাজ্জুদ, সালাতুল লাইল ও বিতর নামাজের সম্পর্ক বোঝার জন্য এই বর্ণনা খুব উপকারী।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাতের নামাজ দুই রাকআত করে পড়ার নির্দেশ এসেছে।
- ফজরের আশঙ্কা হলে এক রাকআত বিতর আদায় করা যায়।
- বিতর আগের নামাজকে বিজোড় করে দেয়।
- সময়ের প্রতি খেয়াল রেখে রাতের নামাজ শেষ করা দরকার।
