৭/১. অধ্যায়ঃ
রাত্রে নফল নামায আদায় করা
নামাজে তন্দ্রা এলে করণীয়: বিশ্রাম নিয়ে ইবাদত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ২৪৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ২৪৯
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا نَعَسَ أَحَدُكُمْ فِي صَلَاتِهِ فَلْيَرْقُدْ حَتَّى يَذْهَبَ عَنْهُ النَّوْمُ فَإِنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا صَلَّى وَهُوَ نَاعِسٌ لَا يَدْرِي لَعَلَّهُ يَذْهَبُ يَسْتَغْفِرُ فَيَسُبَّ نَفْسَهُ.
আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ নামাযে তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়লে সে যেন বসে পড়ে, যতক্ষণ তন্দ্রা ছুটে না যায়। কেননা তোমাদের কেউ তন্দ্রাবস্থায় নামায আদায় করলে, বলা যায় না, হয়তো সে ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করতে গিয়ে নিজের নফসকে মন্দ বলে ফেলবে। (বুখারী ২১২, মুসলিম ৭৮৬)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২৪৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নামাজে তন্দ্রা এলে কী করা উচিত, তা খুব সহজভাবে বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ নামাজে তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়লে সে যেন বসে পড়ে, যতক্ষণ না তন্দ্রা চলে যায়। কারণ ঘুমঘোরে মানুষ নিজের কথাও ঠিকভাবে বুঝতে পারে না। সে ইস্তিগফার করতে গিয়ে নিজের নফসকে মন্দ বলে ফেলতে পারে। এই হাদিস রাতের নফল নামাজের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দীর্ঘ রাত জাগলে শরীর দুর্বল হতে পারে। তাই ইবাদত করতে হবে সচেতনভাবে, বুঝে-শুনে এবং নিজের অবস্থার প্রতি খেয়াল রেখে। এতে নামাজের আদবও রক্ষা পায় এবং ভুল উচ্চারণের আশঙ্কাও কমে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নামাজে ঘুম পেলে জোর করে চালিয়ে যাওয়া ঠিক নয়।
- সচেতনভাবে ইস্তিগফার ও দোয়া করা দরকার।
- শরীরের দুর্বলতা বুঝে বিশ্রাম নেওয়া ইসলামের সহজতার অংশ।
- ইবাদতে মনোযোগ ও বোঝাপড়া গুরুত্বপূর্ণ।
