৬/২. অধ্যায়ঃ
কিয়াম-এ রমাযান বা তারাবীহর নামাযের বর্ণনা
তেইশ রাকআত তারাবীহ: উমার রাঃ-এর সময়ের বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ২৪৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ২৪৪
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ أَنَّهُ قَالَ، كَانَ النَّاسُ يَقُومُونَ فِي زَمَانِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فِي رَمَضَانَ بِثَلَاثٍ وَعِشْرِينَ رَكْعَةً.
ইয়াযিদ ইবনু রুমান (র) হতে বর্ণিতঃ
মালিক (র) ইয়াযিদ ইবনু রুমান (র) হতে বর্ণনা করেন- তিনি বলেছেন, লোকজন উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর খিলাফতকালে রমযানে তেইশ রাক’আত তারাবীহ পড়াতেন তিন রাক’আত বিতর এবং বিশ রাক’আত তারাবীহ। এটাই উমার (রা) শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করে দিয়েছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২৪৪-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় ইয়াযিদ ইবনু রুমান রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, উমার ইবনু খাত্তাব রাঃ-এর খিলাফতকালে মানুষ রমযানে তেইশ রাকআত পড়তেন। অনুবাদে স্পষ্ট করা হয়েছে, এর মধ্যে বিশ রাকআত তারাবীহ এবং তিন রাকআত বিতর ছিল। বর্ণনাটি তারাবীহর রাকআত সংখ্যা নিয়ে আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি সাহাবী যুগের একটি আমলের খবর দেয়। এখানে কোনো দীর্ঘ তর্ক নয়; বরং মূল তথ্য হলো, রমযানের রাতে মানুষ নিয়মিতভাবে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করতেন এবং বিতরসহ কিয়াম সম্পন্ন করতেন। তাই এই হাদিসের আলোচনায় তারাবীহ নামাজ, রাকআত সংখ্যা এবং উমার রাঃ-এর সময়কার আমল—এই বিষয়গুলো সামনে আসে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উমার রাঃ-এর সময়ে তেইশ রাকআত কিয়ামের বর্ণনা এসেছে।
- অনুবাদ অনুযায়ী এতে বিশ রাকআত তারাবীহ ও তিন রাকআত বিতর ছিল।
- রমযানের রাতে জামাতে কিয়ামের প্রচলন সাহাবী যুগে দেখা যায়।
- বর্ণনাটি রাকআত সংখ্যা আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়।
