৪/১. অধ্যায়ঃ
ভুলভ্রান্তি হলে কি করণীয়
নামাজে ভুলের মাধ্যমে বিধান শেখানোর নববী শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ২১৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ২১৭
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنِّي لَأَنْسَى أَوْ أُنَسَّى لِأَسُنَّ.
মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ
তাঁর কাছে হাদীস পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি ভুলে থাকি অথবা ভুলিয়ে দেয়া হয় এজন্য, যেন আমি হুকুম বা বিধান বর্ণনা করি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২১৭-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পৌঁছেছে যে, তিনি বলেছেন, আমি ভুলে থাকি অথবা ভুলিয়ে দেওয়া হয় এজন্য, যেন আমি বিধান বর্ণনা করি। বাক্যটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু নামাজে ভুলের ঘটনাগুলোর সঙ্গে এর সম্পর্ক বোঝা যায়। যখন কোনো ভুল ঘটে এবং তার সমাধান দেখানো হয়, তখন উম্মত বাস্তবে করণীয় শিখে নেয়। তবে এই হাদিসের বাইরে গিয়ে বাড়তি ঘটনা এখানে যোগ করা ঠিক নয়। সরাসরি শিক্ষা হলো, ভুলের ঘটনার মাধ্যমেও শরিয়তের নিয়ম শেখানো হয়েছে। সাহু সিজদা, নামাজে ভুল হলে করণীয়, রাকাআত নিয়ে সন্দেহ—এসব বিষয় মানুষ শুধু কথায় নয়, ঘটনার মাধ্যমে বুঝতে পারে। তাই এই বর্ণনা নববী শিক্ষার এক বাস্তব দিক তুলে ধরে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ভুলের ঘটনার মাধ্যমেও বিধান শেখানো হতে পারে।
- নামাজে ভুল হলে করণীয় জানা উম্মতের জন্য প্রয়োজনীয়।
- নববী শিক্ষা বাস্তব ঘটনার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে।
- ভুলকে অবহেলা না করে তার নিয়ম জানা দরকার।
